ড. মো. খালেদ হোসেন

ড. মো. খালেদ হোসেন

পরিচিতি

ড. মো. খালেদ হোসেন

সাম্প্রতিক নিবন্ধসমূহ

১০ নিবন্ধ
বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মৌলিক সংকটমতামত
২০ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মৌলিক সংকট

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংকটের কেন্দ্রে একটি নির্মম সত্য কথা হলো—এই রাষ্ট্র কখনোই জনগণের পক্ষে আপসহীনভাবে কাজ করেনি। ‘কেন করেনি’-এর চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো, আদৌ কি এই রাষ্ট্রকে কখনো জনগণের জন্য তৈরি করা হয়েছিল? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের সরাসরি তাকাতে হবে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মগত কাঠামো এবং তার

নির্বাচন বিতর্ক ও জাতীয় ঐক্যমতামত
২৪ জানুয়ারি ২০২৬

নির্বাচন বিতর্ক ও জাতীয় ঐক্য

সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস মন্তব্য করেছেন, ‘নির্বাচন ডাকাতি যাতে আর কখনো না ঘটতে পারে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।’ জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) বিষয়ক তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন গ্রহণের পর তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওসমান হাদি হত্যা ও আজাদির লড়াইমতামত
৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

ওসমান হাদি হত্যা ও আজাদির লড়াই

১৯৪৭ সাল, ১৯০ বছরের দীর্ঘ ঔপনিবেশিক শাসনের পর আজাদির পাকিস্তান। কিন্তু এরপরই শুরু সেই পুরোনো ঔপনিবেশিক শাসনের পুনরুৎপাদন। গণতন্ত্র থেকে শুরু করে, অধিকারের প্রশ্নে সব যেন বন্দি হয়েছিল তথাকথিত ব্রিটিশ ধারায় শিক্ষিত ও ব্যবসায়ী এলিটদের হাতেই।

তারুণ্যের হাতেই দুর্নীতিবিরোধী যুদ্ধের মশালমতামত
১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

তারুণ্যের হাতেই দুর্নীতিবিরোধী যুদ্ধের মশাল

বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই দিবস বা এই স্লোগান অতি তাৎপর্যপূর্ণ। যেখানে দুর্নীতি মহামারির মতো এই দেশকে আক্রান্ত করেছে । বাংলাদেশের এমন কোনো ক্ষেত্র নেই, যেখানে দুর্নীতি খুঁজে পাওয়া যাবে না। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল, বিচারব্যবস্থা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা খাতসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে দুর্নীতি

নির্বাচনে পতিত ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় ষড়যন্ত্রমতামত
১০ নভেম্বর ২০২৫

নির্বাচনে পতিত ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় ষড়যন্ত্র

২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন জনগণের কাছে এক ঐতিহাসিক মোড় পরিবর্তনকারী অনুঘটক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে সংঘটিত ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান যেমন ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছে, ২০২৬ সালের নির্বাচন তেমনি বাংলাদেশকে একটি নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় প্রবেশ করাবে বলে জনগণ প্রত্যাশা করে

ভারতের আধিপত্যবাদী নতুন বয়ানমতামত
১৯ অক্টোবর ২০২৫

ভারতের আধিপত্যবাদী নতুন বয়ান

আধুনিক বিশ্বে ক্ষমতা শুধু অস্ত্র, অর্থ, কিংবা কূটনৈতিক জোটে সীমাবদ্ধ নয়, বয়ান বা ন্যারেটিভের মধ্যেও নিহিত। যে রাষ্ট্র বৈশ্বিক অঙ্গনে নিজের গল্পটি সফলভাবে বলতে পারে, তার নীতি-অবস্থান ততই বৈধতা পায়। বয়ান তত্ত্বের মূল বক্তব্য হলো—‘ন্যারেটিভস আর নট মিয়ার স্টোরিজ, দে আর ইনস্ট্রুমেন্টস অব পাওয়ার

সম্মানের রাজনীতি ও জাতীয় ঐক্যমতামত
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সম্মানের রাজনীতি ও জাতীয় ঐক্য

মানুষের ইজ্জত ও সম্মান সম্পর্কে আল-কোরআনে বলা হয়েছে—‘আমি অবশ্যই আদম সন্তানের সম্মান দান করেছি।’ (সুরা আল-ইসরা ১৭ : ৭০) একইভাবে মানুষকে নিয়ে অ্যারিস্টটল বলেছিলেন, ‘দি গুড অব ম্যান মাস্ট বি দ্য অ্যান্ড অব দ্য সায়েন্স অব পলিটিকস।’ রাজনীতির চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো মানুষের কল্যাণ। তার মতে, রাষ্ট্রের জন্ম মান

বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিবাদের স্বরূপ ও নতুন রাষ্ট্র বিনির্মাণমতামত
৩০ আগস্ট ২০২৫

বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিবাদের স্বরূপ ও নতুন রাষ্ট্র বিনির্মাণ

কিন্তু রাজনৈতিক ফ্যাসিবাদের পাশাপাশি আরেকটি সূক্ষ্ম অথচ ভয়ংকর রূপ আছে, যাকে আলবার্ট এলিস ‘ইন্টেলেকচুয়াল ফ্যাসিজম’ বা বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিবাদ নামে অভিহিত করেছিলেন। এটি এমন এক বিশ্বাস, যেখানে কিছু মানুষকে তাদের শিক্ষা, বুদ্ধি বা সৃজনশীলতার কারণে প্রকৃতিগতভাবে শ্রেষ্ঠ ভাবা হয়। বাকিদের অযোগ্য বা তুচ্ছ