নাজমুল হাসান কাসেমী

নীল আকাশের বুক চিরে রমজানের নতুন চাঁদ উদিত হওয়া মাত্রই মুমিনের হৃদয়ে এক স্বর্গীয় বার্তার প্রতিধ্বনি ছড়িয়ে পড়ে। রমজান মানেই কেবল উপবাস নয়, বরং ত্যাগের মহিমায় নিজেকে নতুন করে চিনে নেওয়ার এক মাসব্যাপী সাধনা।

রমজানের প্রতীক্ষায় এসে হাজির হলো রমজান-পূর্ব পবিত্র শাবান মাস । আরবি হিজরি বর্ষপঞ্জিকার অষ্টম এই মাসটি মুমিনের জীবনে এক বিশেষ বার্তা নিয়ে আসে। এটি শুধু একটি মাস নয়, বরং রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজানের আগমনী ধ্বনি। মহিমান্বিত রমজানের পরিপূর্ণ বরকত লাভের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার এটিই চূড়ান্ত সময়

মানুষ মনে করে পৃথিবী খুব শক্ত, অটল ও অনড়। কিন্তু আল্লাহ কোনো এক মুহূর্তে যখন মাটিকে সামান্য নড়াচড়া দেন, তখনই স্পষ্ট হয়ে যায়—শক্তির মালিক মানুষ নয়, বরং একমাত্র রাব্বুল আলামিন। ভূমিকম্প তাই শুধু ভূবিজ্ঞান নয়; এটি মানুষের হৃদয়ে আঘাত করা এক স্মরণবার্তা—তুমি ক্ষুদ্র আর তোমার প্রতিটি নিঃশ্বাস তাঁর

মসজিদ শুধু নামাজের স্থান নয়। এটি মুসলিম সমাজের হৃদয়কেন্দ্র। যেখানে আধ্যাত্মিকতা, নৈতিকতা ও সামাজিক চেতনাসমবেত হয়। ইসলামের সূচনালগ্নে মসজিদ ছিল জ্ঞান, নেতৃত্ব, ন্যায়বিচার এবং সমাজকল্যাণের কেন্দ্র। নবী করিম (সা.) মসজিদের মিম্বর থেকে যেমন ঈমান ও আমলের দাওয়াত দিতেন, তেমনি সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা