রুমান হাফিজ

রুমান হাফিজ

পরিচিতি

ruman Hafiz

সাম্প্রতিক নিবন্ধসমূহ

নিবন্ধ
বিলেতের সমুদ্র সৈকতে...ফিচার
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিলেতের সমুদ্র সৈকতে...

টানা কয়েক বছর ছিলাম চট্টগ্রামে। ফলে সাগর-বিচ-ঝরনা কিংবা পাহাড়ের কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ ছিল বেশ। এমনও হয়েছে, সারাদিন ক্লাস করে বিকালে হুটহাট কক্সবাজার চলে যাওয়া। কিংবা সন্ধ্যায় পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে। কতবার গেছি ঠিক বলাও মুশকিল!

প্রবাসে দেশি ঈদপ্রবাস
১৫ জুন ২০২৫

প্রবাসে দেশি ঈদ

ঈদের জামাত পড়ব। শেডওয়েল স্টেশন পার্শ্ববর্তী এসটি জর্জস গার্ডেনে। ‘আমরা’ বলতে লন্ডনে বসবাসরত কানাইঘাট উপজেলার তরুণরাই।

শ্রাবন্তীর কুইলিংফিচার
২৯ মে ২০২৫

শ্রাবন্তীর কুইলিং

শ্রাবন্তী বলেন, আমি যেকোনো ক্রাফটিংয়ের কাজ করার পর ফেসবুকে শেয়ার করতাম। বন্ধু তালিকায় থাকা শিক্ষক, সহপাঠী ও পরিচিতজনরা প্রশংসা করতেন, উৎসাহ দিতেন।৷ তখনো বেশিরভাগ মানুষের কাছে ‘কুইলিং’ বেশ অচেনা এক ক্রাফটিং সেক্টর। টুকটাক আনাড়ি কাজগুলো দেখে সবাই অনেক প্রশংসা করতেন। এত এত প্রশংসা পেয়ে আমার উৎসাহ আরো

তানজিয়ার লড়াইটা অস্তিত্বেরশিক্ষা
২৮ ডিসেম্বর ২০২৪

তানজিয়ার লড়াইটা অস্তিত্বের

৪ আগস্ট। গায়ে ১০২ ডিগ্রি জ্বর। শেষবার কল করে বিদায় নিতেই ওপাশ থেকে মায়ের কান্না। তবুও বেরিয়ে গেলেন। কর্মসূচি শেষ হলো। বাসার মালিক কল করে বললেন, ফেরা যাবে না। বাসা পুলিশের পাহারায়। কোনো উপায় না দেখে আরেক বাসায় থাকতে গেলেন।

৪০ বছর ধরে চবিয়ানদের আস্থার ঠিকানা ‘ঢাকা হোটেল’শিক্ষা
১৬ ডিসেম্বর ২০২৪

৪০ বছর ধরে চবিয়ানদের আস্থার ঠিকানা ‘ঢাকা হোটেল’

বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আমানত হলের সামনে হোটেলের অবস্থান। নামকরণের বিষয়ে বলেন, শুরুতে দোকানের কোনো নাম ছিল না। খাবার বিক্রি শুরু হলে শিক্ষার্থীরাই বেশি আসত। আমার বাড়ি ঢাকা বলে সবাই ঢাকার হোটেল বলত। এরপর থেকে এই নামেই পরিচিতি লাভ করে। পরবর্তীতে নাম দিলাম ‘ঢাকা হোটেল’।

শীতের অপরূপ বাংলাদেশফিচার
১৬ ডিসেম্বর ২০২৪

শীতের অপরূপ বাংলাদেশ

শীত আমাদের প্রকৃতির বৈচিত্র্যময় রূপের একটি। রাতে পাতায় পাতায় কুয়াশা পড়ে। গাম্ভীর্যময় বৈশিষ্ট্যের জন্য শীতের সকাল বছরের অন্য ঋতুর থেকে স্বতন্ত্র। তাইতো কবি সুকান্ত বলেছেন, ‘শীতের সকাল/দরিদ্রের বস্ত্রের আকাল/শীতের সকাল/অসাম্যের কাল/ধনীর সুখ আর আনন্দ/ শ্রেণি সংগ্রাম এ নিয়ে চলে দ্বন্দ্ব।’

যে ভালোবাসার শেষ নেইসাহিত্য সাময়িকী
১১ ডিসেম্বর ২০২৪

যে ভালোবাসার শেষ নেই

ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করতে না পারলেও বাসে করে যাবো ভেবে আগেরদিন শহরে চলে আসি। বড়াপুর সাথে দেখা হয়। একটা কফি শপে নিয়ে গেলো। কফি আর চা আমার একটু বেশি পছন্দ। কফি খেতে খেতে অনেক গল্প হলো। বাড়ি ছেড়ে যাওয়া আর ফোন নষ্ট হওয়ার কষ্ট যেন মুহূর্তেই ধূমায়িত কফির চুমুকে হারিয়ে গেলো!