আব্দুস সালাম, নাটোর

আব্দুস সালাম, নাটোর

পরিচিতি

আব্দুস সালাম, নাটোর

সাম্প্রতিক নিবন্ধসমূহ

নিবন্ধ
চাহিদা বাড়ছে নাটোরের হাতে ভাজা মুড়িরসারা দেশ
০১ মার্চ ২০২৬

চাহিদা বাড়ছে নাটোরের হাতে ভাজা মুড়ির

সারা দেশেই বাড়ছে নাটোরের সদর উপজেলার গ্রামের হাতে ভাজা বিষমুক্ত মুড়ির চাহিদা। রমজান মাসের এ সময়টায় বেড়ে যায় বিষমুক্ত হাতে ভাজা মুড়ির কদর কয়েক দ্বিগুণ। ধান সংগ্রহ থেকে শুরু করে মুড়ি ভাজা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি নিজস্ব পদ্ধতিতে সম্পন্ন করে। সমস্ত প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের রাসায়নিক বা ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহ

বিএনপিতে বিদ্রোহী প্রার্থী জামায়াত বিরামহীন প্রচারেসারা দেশ
১১ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপিতে বিদ্রোহী প্রার্থী জামায়াত বিরামহীন প্রচারে

সারা দেশের মতো নাটোরেও বইছে ভোটের হাওয়া। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার কার্যক্রম। উৎসবমুখর এ পরিবেশ কিছুটা ম্লান করেছে দুই আসনে বিএনপির প্রার্থী জটিলতা।

হেভিওয়েট-জনপ্রিয় নেতাদের তৎপরতায় জনমনে উচ্ছ্বাসসারা দেশ
২১ জুলাই ২০২৫

হেভিওয়েট-জনপ্রিয় নেতাদের তৎপরতায় জনমনে উচ্ছ্বাস

জেলার সাত উপজেলা নিয়ে গঠিত চারটি আসন। এসব আসনে আগামী নির্বাচন উপলক্ষে নিজের অবস্থান তৈরি করছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতারা। মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন মনোনয়নপ্রত্যাশীরা। তারা নানা কর্মসূচি নিয়ে ভোটারদের দুয়ারে যাওয়ায় নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে জনগণের।

লিরার বাগানে ১৫০ রকম ফুল-ফলগাছফিচার
০৩ জুলাই ২০২৫

লিরার বাগানে ১৫০ রকম ফুল-ফলগাছ

প্রায় ২০ বছর আগে ফুল-ফলের বাগান শুরু করেন লিরা জামান। ঢাকা, রংপুর, পাবনা, রাজশাহী, নাটোর, বগুড়াসহ বিভিন্ন জেলা থেকে তিনি দেশি-বিদেশি প্রায় ১৫০ প্রজাতির ফুল-ফলগাছ সংগ্রহ করে বাগান তৈরি করেছেন। তার নিরলস প্রচেষ্টায় বাগানে শোভা পাচ্ছে অসংখ্য ফুল ও ফল।

রমজানকে হারিয়ে এখনো শোকে কাতর পরিবারজুলাই বিপ্লব
১৩ মে ২০২৫

রমজানকে হারিয়ে এখনো শোকে কাতর পরিবার

অভাবের সংসার। তাই নাটোর থেকে ঢাকায় এসে জামায়াতকর্মী রমজান আলী একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চাকরি নেন। এরপর করেন বিয়ে। কিছুদিন পর ঘরে আসে একটি কন্যা সন্তান। তখন খরচ বেড়ে যায়।

মাকে নিরাপদ থাকতে বলে চিরতরে হারিয়ে গেল সোহেলজুলাই বিপ্লব
২৬ এপ্রিল ২০২৫

মাকে নিরাপদ থাকতে বলে চিরতরে হারিয়ে গেল সোহেল

মা-বাবার সংসারে উপার্জনক্ষম ছেলে ছিলেন শহীদ সোহেল রানা। গার্মেন্টসে চাকরি করে আয় যা হতো, তা থেকে বড় একটা অংশ পাঠিয়ে দিতেন পরিবারের জন্য। তাতে ঘর তো চলতই, চলত তার বোনের পড়াশোনা। কিন্তু ঘরের আলো সোহেল শহীদ হওয়ার পর পরিবারে নেমে এসেছে ঘোর অমানিশা। মাকে নিরাপদ থাকার কথা বলে নিজেই হারিয়ে গেলেন চিরতরে।