ইব্রাহিম খলিল, খুবি

বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র চুয়াডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী সরোজগঞ্জ গুড়ের হাট। জেলার প্রাচীন এই হাট এক সময় খেজুর রস ও গুড়ের প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র ছিল। কিন্তু কালের বিবর্তনে দেশের বৃহত্তম খেজুর গুড়ের এই হাট এখন বহুমুখী সংকটে জর্জরিত।

ঢাকা থেকে দক্ষিণে সুন্দরবনের পথে যাত্রা করলে মাওয়া মহাসড়ক পেরিয়ে চোখে পড়ে এক নির্দেশক বোর্ড ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় আর বেশি দূরে নয়’। এরপর প্রায় দুই ঘণ্টার পথ পাড়ি দিলেই পৌঁছানো যায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে। বাইরে থেকে শান্ত ও নিস্তব্ধ মনে হলেও ভেতরে এটি এক প্রাণচঞ্চল শিক্ষানগরী—যেখানে হাজারো তরুণ

গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ হারুন চৌধুরী। এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এডুকো ও উত্তরণ সংস্থার সহযোগিতায় বাস্তবায়িত প্রকল্পের অংশ। গবেষণার আওতায় সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ বুড়িগোয়ালিনী, গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়ন এবং সাতক্ষীরা

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) প্রাণ হিসেবে পরিচিত কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ এখন ধীরে ধীরে প্রাণহীন হয়ে পড়ছে। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, অপর্যাপ্ত সংস্কার এবং দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে মাঠটি এখন প্রায় খেলার অনুপযুক্ত। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে থাকে, আর অসমতল জমির কারণে ফুটবলসহ

সবুজে ঘেরা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বরাবরই পরিচিত তার নিস্তরঙ্গ সৌন্দর্য ও রাজনীতিহীন ক্যাম্পাসের জন্য। তবে ২০২৩ সালে সবুজের বুকে গোলপাতার ছাউনি দিয়ে নির্মিত একটি ক্যাফেটেরিয়া এই নিঃসর্গে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এটি শুধু খাবার পরিবেশনের স্থান নয়, এখন হয়ে উঠেছে শিক্ষার্থীদের প্রশান্তির ঠিকানা, গল্প

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) ২০২৩ সাল থেকে স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ডোপ টেস্টের মাধ্যমে ভর্তির কথা থাকলেও, গত তিন বছরে তা কার্যকর হয়নি। যদিও শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ডোপ টেস্টের প্রত্যয়ন ইতোমধ্যেই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তটি শুধু কাগজেই সীমাবদ্ধ রয়েছে