ড. ইশরাত জাকিয়া সুলতানা

বাংলাদেশে রাজনীতিবিদ এবং আমলাদের অনেক গুণ থাকলেও, যে গুণটির বড্ড অভাব, তা হলো আত্মপর্যালোচনার অভ্যাস। কিন্তু এর জন্য পুরোপুরি তাদের দায়ী করা চলে না। কারণ, তাদের কর্মকাণ্ডের যারা দর্শক-শ্রোতা তথা (সু)ফলভোগী, অর্থাৎ আমাদের মতো আমজনতা, আমরা তাদের কাজকে সেটা ভুল হোক, ভালো হোক হাততালি দিয়ে আর প্রশংসায় ভ

একবার এক ভালুক আর এক রাখালের খুব বন্ধুত্ব হয়ে গেল। বনের মধ্যে চলতে গিয়ে হঠাৎ রাখালের ঘুম পেল। ভালুককে সে বলল, কী করি বলতো বন্ধু? ভালুক বলল, ঠিক আছে বন্ধু, তুমি ঘুমাও। আমি তোমাকে পাহারা দিচ্ছি।

ভারত ৪৩ জন রোহিঙ্গাকে সমুদ্রে ফেলে দিয়েছে মর্মে জাতিসংঘের বিশেষ র্যাপোটিয়ার অভিযোগ এনেছে। ভারতের বিচারপতিরা একে শুধু যে তথ্য-প্রমাণহীন অভিযোগ বলে অভিহিত করেছেন, তাই নয়, ভারতের সংকটময় পরিস্থিতিতে এ জাতীয় বিষয়ের অবতারণা একদমই সঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেছেন।

বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শরণার্থীরা অবশেষে নিজ দেশে ফিরে যাচ্ছে – এমন একটা স্বস্তির আবহ যখন বাংলাদেশে বিরাজ করছে, তখন রোহিঙ্গারা এ নিয়ে কী ভাবছে? তারা কি আশ্বস্ত হয়েছে যে তারা নিজ দেশে ফিরে যাচ্ছে? বিশেষ করে যারা মিয়ানমার সরকারের যোগ্যতার সূচকে দেশে ফেরার জন্য ‘যোগ্য’ বলে বিবেচিত হয়েছে

শেক্সপিয়ার বেঁচে থাকলে আজ সম্ভবত তার উক্তি ‘নামে কী-বা আসে-যায়’ প্রত্যাহার করে নিতেন। নাম দিয়ে ব্যক্তির চরিত্র নির্ণয় করা না গেলেও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাজ সম্পর্কে দিব্যি ধারণা করা যায়।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আমরা আজ অবধি জাতীয় কোনো ঐকমত্য সৃষ্টি করতে পারিনি। একদিকে রাজনীতিবিদরা যেমন নির্বাচন ছাড়া আর কিছু নিয়ে ভাবতে নারাজ, অপরদিকে রোহিঙ্গা ‘বিশেষজ্ঞ’রা বিভাজিত হয়ে আছেন ভিন্ন মতে।