আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে উপচে পড়া ভিড়

চরফ্যাশনে আকাশ ছোঁয়া অনুভূতি নিচ্ছেন পর্যটকরা

এম লোকমান হোসেন, চরফ্যাশন (ভোলা)

চরফ্যাশনে আকাশ ছোঁয়া অনুভূতি নিচ্ছেন পর্যটকরা

ঈদের লম্বা ছুটিতে পর্যটকের ঢল নেমেছে দ্বীপজেলা ভোলার চরফ্যাশনে। প্রকৃতির মনোরম দৃশ্য দেখতে চরফ্যাশন টাওয়ার, বেতুয়া প্রশান্তি পার্ক, খেজুর গাছিয়া মিনি পর্যটন কেন্দ্র, ফ্যাশন স্কয়ার ও কুকরি-মুকরি দ্বীপ ভ্রমণপিপাসুদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে। দক্ষিণ এশিয়ার সর্বোচ্চ দ্বিতীয় ওয়াচ টাওয়ার হিসেবে খ্যাত চরফ্যাশন টাওয়ারে ওঠে আকাশ ছোঁয়ার অনুভূতি নিচ্ছেন পর্যটকরা।

সরেজমিনে চরফ্যাশনের বেশকিছু পর্যটন কেন্দ্র ঘুরে দেখা মেলে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিনোদনকেন্দ্রগুলো নতুন সাজে সজ্জিত করা হয়েছে। যুক্ত করা হয়েছে আধুনিক রাইডস এবং নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও।

বিজ্ঞাপন

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুকরি-মুকরি দ্বীপের ম্যানগ্রোভ বন, বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য, বালুকাবেলা ও নিরিবিলি পরিবেশ ভ্রমণকারীদের আকর্ষণ করছে। এ দ্বীপে রয়েছে দেশসেরা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, সর্পিল লেক, সামুদ্রিক হাওয়া ও হরিণসহ নানা বন্যপ্রাণী।

ভোলার কুকরি-মুকরিতে পর্যটকদের জন্য আধুনিক রেস্ট হাউস, ১৮টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ, সুইমিং পুল, হেলিপ্যাড, টেনিস কোর্ট এবং কটেজ নির্মাণ করা হয়েছে।

10

চরফ্যাশনের 'চরফ্যাশন টাওয়ার ' নির্মিত হয়েছে ২২৫ ফুট উঁচু, যা সম্পূর্ণ স্টিলের তৈরি এবং ৮ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয়। রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আমদানি করা ক্যাপসুল লিফট, স্বচ্ছ কাঁচের দেয়াল ও উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন বাইনোকুলার। এখান থেকে পর্যটকরা দূর বঙ্গোপসাগর, কুকরি-মুকরি ও ঢাল চরের তারুয়া দ্বীপ উপভোগ করতে পারেন।

টাওয়ারের প্রবেশ মূল্য ১০০ টাকা এবং শিশু পার্কের ২০ টাকা। শিশুদের জন্য ট্রেন, দোলনা, নাগরদোলা, পঙ্খি রাজসহ বিভিন্ন রাইডস রয়েছে। টাওয়ারের পাশে ফ্যাশন স্কয়ারে তৈরি হয়েছে দেশের অন্যতম বড় সুইমিং পুল এবং ২০ হাজার ধারণক্ষমতার মিউজিক্যাল ফোয়ারা স্কয়ার।

ভোলা শহর থেকে আসা পর্যটক মাকসুদুর রহমান আমার দেশকে বলেন, চরফ্যাশন টাওয়ার ও প্রশান্তি পার্কে এসে অনেক ভালো লেগেছে। পাশাপাশি এশিয়ার দ্বিতীয় ওয়াচ টাওয়ারে উঠে আকাশ ছোঁয়ার মত অনুভূতি হচ্ছে আমার কাছে।

ঢাকা থেকে আসা নিরব নামের আরেক পর্যটক বলেন, চরফ্যাশন না আসলে চরফ্যাশনের পর্যটন কেন্দ্র সম্পর্কে জানা হতো না। পরিবার পরিজন নিয়ে এসেছি, দারুণ প্রশান্তি অনুভব করলাম। বেচেঁ থাকলে আবারও আসবো।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও চরফ্যাশন পৌরসভার প্রশাসক রাসনা শারমিন মিথি জানান, ‘ভ্রমণ নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ রাখতে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যটকদের জন্য কোন ঝুঁকি নেই।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন