দল, মতের ঊর্ধ্বে ওঠে বাংলাদেশের আঠারো কোটি মানুষের নেত্রী হয়ে ওঠেন তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার জানাজার নামাজই প্রমাণ করে এটি উপ-মহাদেশের সর্ববৃহৎ নামাজে জানাজা।
খালেদা জিয়ার মহাপ্রয়াণে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে শ্রদ্ধা ও স্মৃতিতে তার শোক বইয়ে এসব কথা লিখেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ঢাকার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় এই শোক বই খোলা হয়। যা সর্ব সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
এতে তিনি আরো লিখেন, বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেত্রী দেশমাতা, দেশনেত্রী, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি। শোকার্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
তিনি আরো লেখেন, বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ নামাজে জানাজা। তার নামাজে জানাজায় মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করেছে দলের ঊর্ধ্বে উঠে সারা বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের নেত্রীতে পরিণত হয়েছেন তিনি। মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে কায়োমনো বাক্যে দোয়া করছি তার জন্য। যেন আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। এসময় শোক বইয়ে দীর্ঘ সময় বেগম খালেদা জিয়ার সান্নিধ্যে থাকার অভিজ্ঞতা এবং তার আপসহীন নেতৃত্বের স্মৃতিগুলো শোক বইয়ের পাতায় পরম যত্নে তুলে ধরেন চসিক মেয়র।
এর আগে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন তার ব্যক্তিগত ফেসবুকে চট্টগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতিগুলো তুলে ধরে বলেন, ৮০’র দশকে তিনি গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের আন্দোলন শুরু করেন। ছাত্রদলকে সারাদেশে সংগঠিত করেন। তার আপোষহীন নেত্রী উপাধি এমনিতে আসেনি।
চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়েছিল। ৮০’র দশকের প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, স্বৈরাচার এরশাদের সময় একজন গৃহবধূ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পরে কিভাবে রাজপথে এসে কিভাবে ছাত্রদলকে সংগঠিত করে। ওইসময় শেখ হাসিনা বারবার বলেছিল এরশাদের অধীনে কোন নির্বাচনে যাবে না এবং লালদিঘি ময়দানেও সেই কথা বলেছি। কিন্তু শেখ হাসিনা ঢাকায় এসে এরশাদের সাথে নির্বাচনে গিয়ে স্বৈরাচারী সরকারের সময়কালকে বৈধতা দেয়। কিন্তু দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ছিলেন আপোষহীন। এজন্যই সর্বপ্রথম তাকে চট্টগ্রামের মানুষ আপোষহীন উপাধি দেয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

