কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে পাঁচ মাস আগে নিখোঁজ হওয়া আরিফ মিয়া ওরফে সালমান (১৯) হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নরসুন্ধা নদী থেকে নিহতের কঙ্কালের বিভিন্ন অংশ ও পরনের গেঞ্জি উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার দুপুরে জেলা পুলিশের উদ্যেগে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৮ মে সন্ধ্যায় সালমান বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। পরদিন পরিবারের পক্ষ থেকে হোসেনপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। দীর্ঘ তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ জানতে পারে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে সালমানকে হত্যা করা হয়েছে।
পরে নিহতের বাবা ফজলুর রহমান বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাকিব (১৮), মাফি (১৫), রফিক (৪০) ও রমজান মিয়া (৩৫) নামে চারজনকে গ্রেপ্তার করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা হত্যার পর মরদেহ নরসুন্ধা নদীর কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখার কথা স্বীকার করে। পরে তাদের দেখানো স্থানে অভিযান চালিয়ে নিহতের গেঞ্জি, মাথার খুলি, বুকের পাঁজরসহ শরীরের বিভিন্ন অংশের ৭৭টি হাড় উদ্ধার করা হয়। নিহতের বাবা উদ্ধার হওয়া গেঞ্জি দেখে ছেলেকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেন।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া কঙ্কাল ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

