শাহজালালে ১১৪ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৭,৭০১ যাত্রী

শাহজালালে ১১৪ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৭,৭০১ যাত্রী
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ফাইল ছবি

সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মাম বন্ধ হওয়ার কারণে গত সাত দিনে ১১৪টি ফ্লাইট বাতিল করেছে শাহজালাল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। বাতিল হওয়া ফ্লাইটে যাত্রীর সংখ্যা ছিল ১৭ হাজার ৭০১ জন। গত ১০ অক্টোবর ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতির হামলার পর রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক কাওছার মাহমুদ শনিবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞাপন

তিনি জানান, সরাসরি বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৮টি, ইউএস বাংলার ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ১২টি এবং রিয়াদ এয়ারের ১০টি।

বাতিল হওয়া ট্রানজিট ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে ইন্ডিগো এয়ারের ২২টি, সালাম এয়ারের সাতটি, এমিরেটস এয়ারের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ছয়টি এবং এয়ার ইন্ডিয়ার পাঁচটি।

কাওছার মাহমুদ জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ওই দুই এয়ারপোর্টে ফ্লাইট বাতিল হওয়া অব্যাহত থাকবে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। সংস্থাটি জানিয়েছে, জরুরি প্রয়োজনে যাত্রীরা জেদ্দা ও মদিনা বিমানবন্দর ব্যবহার করে সৌদি আরবে যাতায়াত করতে পারবেন। মদিনা রুটে বোয়িং ৭৮৭ উড়োজাহাজের পরিবর্তে বোয়িং ৭৭৭ যুক্ত করায় প্রতি ফ্লাইটে আসনসংখ্যা বেড়েছে ১৪৮টি। পাশাপাশি জেদ্দা রুটে অতিরিক্ত তিনটি ফ্লাইট পরিচালনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এদিকে রিয়াদ ও দাম্মামগামী বিমানের যাত্রীরা টিকিট পরিবর্তন করে জেদ্দা ও মদিনা হয়ে কর্মস্থলে ফেরার চেষ্টা করছেন। ঢাকার বলাকা কার্যালয়ে গিয়ে অনেক যাত্রীকে টিকিট পরিবর্তনের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। বিমানের একজন কর্মকর্তা জানান, প্রতিদিন সকাল সাড়ে আটটা থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত যাত্রীদের টিকিট পরিবর্তনসংক্রান্ত সেবা দেওয়া হচ্ছে।

তবে বিকল্প পথে যাতায়াতের কারণে যাত্রীদের বাড়তি সময় ও অর্থ ব্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে। ছুটি শেষ হওয়া এবং কর্মস্থলে ফেরার তাগিদে প্রবাসীরা দ্রুত স্বাভাবিক ফ্লাইট চলাচল শুরুর অপেক্ষায় রয়েছেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন