পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় মো. হাসানুর হক (৪৫) নামের এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসাপাতালে নিয়ে এলে সেখানে আবারো হামলা চালায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।
এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ফোন পেয়ে পুলিশ এসে দুজনকে আটক করে। বুধবার পাবনা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন একদন্ত ইউনিয়নের চবিবাড়ির ত্রিমোহনী এলাকার হাশেম মুন্সির ছেলে খায়রুল ইসলাম ও মৃত রোস্তম মুন্সীর ছেলে হাশেম মুন্সী।
এছাড়াও হাশেম মুন্সীর স্ত্রী খাদেজা খাতুনও জড়িত বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। আটক দুজন একদন্ত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা । তবে বর্তমানে তারা স্থানীয় বিএনপি নেতাদের ছত্রছায়ায় থেকে অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে।
মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, সকালে চক চবিবাড়ির ত্রিমোহনী এলাকায় হাসানুর হককে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে আটক দুজনসহ চার-পাঁচজন সন্ত্রাসী। এরপর স্থানীয়রা উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। পরবর্তী সময়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রোগীর স্বজনদের উপর হামলা করে তাদের রুমে আটকে রাখে।
ভুক্তভোগীর স্ত্রী মোছা. ববি খাতুন বলেন, আটক সন্ত্রাসীরা আগে আওয়ামী লীগ করত। এখন তারা স্থানীয় বিএনপি নেতাদের ছত্রছায়ায় এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি ও মাস্তানি করে বেড়াচ্ছে। আমার স্বামীকে কুপিয়ে আহত করার পর হাসপাতালেও আমাদের উপর হামলা করেছে।
এছাড়া মামলা করলে এলাকায় থাকতে দেবে না বলে হুমকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা বলছে, পুলিশ প্রশাসন আমাদের হাতে রয়েছে। ববি খাতুন বলেন, আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আটককৃতদের শাস্তি দাবি করে তিনি বলেন, অন্যদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে।
আটঘরিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগী এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আটক দুজনকে কোর্টের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

