অসাম্প্রদায়িকতার বুলি, বাস্তবে বিগত ১৫ বছর সংখ্যালঘু সুরক্ষায় ব্যর্থ: রুমিন ফারহানা

অসাম্প্রদায়িকতার বুলি, বাস্তবে বিগত ১৫ বছর সংখ্যালঘু সুরক্ষায় ব্যর্থ: রুমিন ফারহানা

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে জন্মাষ্টমী উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে এসে আওয়ামী লীগের নাম সরাসরি উচ্চারণ না করেই কড়া সমালোচনা করলেন বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সহসম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

শনিবার দুপুরে আন্দরকিল্লার জেমসেন হলে জন্মাষ্টমী উদ্‌যাপন পরিষদের বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল বিগত ১৫ বছর ধরে অসম্প্রদায়িকতার বুলি ছাপিয়ে গেলেও বাস্তবে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। কখনো ধর্মের ভিত্তিতে, কখনো জাতিগত কারণে। এসব ঘটনা আমরা উপেক্ষা করতে পারি নাই, আমরা ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবাদ করি। কিন্তু ক্ষমতাসীনদের কানে সেই আহাজারি পৌঁছাতে বিশেষ সময় লেগে যায়।

৮ মিনিটের বক্তব্যে কোথাও আওয়ামী লীগের নাম না নিয়েই সমালোচনা চালিয়ে তিনি বলেন, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের, যে রাজনৈতিক আদর্শের কথা আমরা সবসময় শুনে এসেছি, তারা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের কথা বলেছেন, তারা নানা ধর্ম-বর্ণ নানান সম্প্রদায়ের রক্ষাকর্তা, চাপার ভূমিকায় নিজেদেরকে দাবি করেছেন। কিন্তু গত ১৫ বছরে আমরা কী দেখেছি। আমি আমার দলের পক্ষ থেকে নাসিরনগরে চলে গেছি, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে যখন নাসিরনগরে মন্দির ভাঙা হয়, আমি যশোরে গেছি, আমি কুমিল্লায় গেছি, আমি ঠাকুরগাঁওয়ে গেছি।

তিনি বলেন, আমি নিজের কানে শুনেছি, নিজের চোখে দেখেছি, মানুষের হাহাকার-চিৎকার-কান্না আর ভয়। আমরা আগামীর বাংলাদেশ ধর্ম-বর্ণ সকলের দেখতে চাই। আমরা সবার জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ দেখতে চাই।

আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে প্রত্যাশা জানিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই নিরাপদ থাকবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আর কে দাশ রুপু।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন