ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তারা ভোটারদের মাঝে নিজেদের জনপ্রিয়তা প্রমাণে সব ধরনের তৎপরতা শুরু করেছেন। অবশ্য মনোনয়নের দৌড়ে এগিয়ে থাকা প্রার্থীরা ইতোমধ্যে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ, উঠান বৈঠকসহ নির্বাচনি গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। ঐক্য ও শান্তির বার্তার সঙ্গে সঙ্গে দিচ্ছেন বিভিন্ন প্রতিশ্রুতিও।
জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে এখন ভোটের মাঠের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরাই মাঠে সক্রিয়। এক সময়কার মিত্র এই দুই দলের মধ্যেই হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। এর মধ্যে বিএনপির শক্তি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা ও বিশাল কর্মিবাহিনী। অন্যদিকে ভোটারদের কাছে পরীক্ষিত ও পরিচিত প্রার্থীদের নিয়ে চাঙাভাব জামায়াতে ইসলামীতে।
‘রংপুরের মাটি জাতীয় পার্টির ঘাঁটি’—দলটি বললেও গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে গেলে জাতীয় পার্টিও চুপসে যায়। অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে। জাতীয় পার্টিকেও নিষিদ্ধের আবেদন করেছে কয়েকটি রাজনৈতিক দল। তবে জুলাই বিপ্লবের পর থেকেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী।
রংপুরের ছয়টি আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী অন্তত ২০ নেতা। অপরদিকে প্রতিটি আসনে জামায়াতের একক প্রার্থী। ভোটারদের মাঝে নিজেদের জায়গা করে নিতে মাঠে ব্যস্ত নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি। তবে একটি আসনে (রংপুর-৪) এখন পর্যন্ত এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের প্রার্থিতার বিষয়ে জানা গেছে। গণঅধিকার পরিষদ রংপুর-১ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ছয়টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসও সবগুলো আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে বলে জানা গেছে।
রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও রংপুর সিটির একাংশ)
গঙ্গাচড়া উপজেলা ও রংপুর সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ৮ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে রংপুর-১ আসন। এক সময়ের জমজমাট এই আসনে দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির আধিপত্য থাকলেও এবার ঘুরে দাঁড়াতে মাঠে নেমেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। ১৯৯১ সালে বিএনপির প্রার্থী শাহ এমদাদুল হক মাত্র ৬৯৫ ভোট পেয়ে জামানত হারানোর পর এই আসনে আর কোনো প্রার্থী দেয়নি দলটি। প্রায় তিন দশক পর দলটি ধীরে ধীরে সংগঠিত হয়েছে। আলোচনায় আছেন বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী মোকাররম হোসেন সুজন। তিনি আলমবিদিতর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন। উপজেলা বিএনপির আরেক সাবেক সভাপতি ওয়াহেদুজ্জামান মাবুও মনোনয়নপ্রত্যাশী। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত তিনি। তৃণমূলে তার ভিত্তি মজবুত হলেও আধুনিক রাজনৈতিক কৌশলের ঘাটতি ও তরুণদের সঙ্গে যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা তার অবস্থান কিছুটা দুর্বল করে তুলেছে। এ ছাড়া আলোচনায় আছেন আরো দুই নেতা। তারা হলেন গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপির বর্তমান সভাপতি চাঁদ সরকার এবং সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী।
এদিকে আসনটিতে জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক রায়হান সিরাজীকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী। এর আগে জামায়াত নেতা মরহুম গোলাম আযমের ভায়রা সুজা মিয়া পীরসাহেব দুবার জাতীয় পার্টির প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে অল্প ভোটে পরাজিত হন। তবে আসনটিতে এবার শক্ত অবস্থানে রয়েছে জামায়াত। এ ছাড়া আসনটিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এটিএম গোলাম মোস্তফা বাবু, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী হানিফ খান সজিব, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা মমিনুর রহমান।
রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ)
রংপুর-২ আসনে সব সময় আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির ভয় ছিল এটিএম আজহারুল ইসলামকে। নিরপেক্ষ নির্বাচনে তার সঙ্গে কখনোই ভোটে জয়লাভ করা সম্ভব নয় ভেবে এটিএম আজহারুল ইসলামসহ জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে কাজ করত আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি। ট্রাইব্যুনালে সাজানো মামলায় আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির লোকজনের মিথ্যা সাক্ষীর কারণে তাকে ১৩ বছর কারাবন্দি রেখেছিল স্বৈরাচার শেখ হাসিনা।
এটিএম আজহারুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা। তিনি এক সময় দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-২ আসন থেকে নির্বাচন করেন। প্রায় ১৩ বছর কারাবন্দি থাকার পর গত ২৮ মে তিনি মুক্তি পান।
২০০৮ সালে শেখ হাসিনার সাজানো নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আনিছুর ইসলাম মণ্ডলের কাছে হেরে যান। তবে এবার তিনি নতুন জীবন ফিরে পাওয়ায় নির্বাচনি এলাকায় দলমত নির্বিশেষে ব্যাপক জনপ্রিয়তা বেড়েছে। এ কারণে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহজেই তিনি জয়লাভ করতে পারেন বলে এলাকায় জনশ্রুতি রয়েছে।
এই আসনে আলোচনায় আছেন বিএনপির প্রার্থী সাবেক এমপি পরিতোষ চক্রবর্তী। এর আগে তিনি জাতীয় পার্টি থেকে এমপি নির্বাচিত হন। এর পরে বিএনপিতে যোগ দেন। এ ছাড়া বিএনপির আলোচনায় আছেন নির্যাতিত সাবেক ছাত্রনেতা ও রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মাহফুজ উন নবী ডন, জাতীয় পার্টি থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়া (বর্তমানে বহিষ্কৃত) মোহাম্মদ আলী সরকার, অধ্যাপক আজিজুল হক, অ্যাডভোকেট গোলাম রসুল বকুল।
এই চার নেতার মধ্যে বেশি আলোচনায় আছেন ডন। তিনি দীর্ঘ সময় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করেছেন। বর্তমানে সামাজিক অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে বিয়েবাড়ি—প্রতিটি জায়গায় দলের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন ডন। নিচ্ছেন নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতিও।
আসটিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা আশরাফ আলী। তার বিরুদ্ধে নারী ফুটবল খেলা নিয়ে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে হেয়প্রতিপন্ন করার অভিযোগ রয়েছে, যা নির্বাচনে দলের ভাবমূর্তিতে প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মোরশেদ রানা পারভেজ সরকার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা আশরাফ আলীও এ আসন থেকে লড়বেন।
রংপুর-৩ (সদর)
রংপুর-৩ আসনকে জাতীয় পার্টির ঘাঁটি বলা হলেও এবার প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ বিপরীত। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে জাতীয় পার্টিকে আসনটি ছেড়ে দিত আওয়ামী লীগ। তবে জুলাই বিপ্লবের মুখে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালানোর পর জাতীয় পার্টিও চুপসে গেছে। সম্প্রতি গণঅধিকার পরিষদ ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে। এরপর থেকে জাতীয় পার্টিকে আর রাজনীতির মাঠে দেখা যায়নি।
২০১৯ সালের ১৪ জুলাই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে রংপুর-৩ আসনটি শূন্য হয়। শূন্য আসনের উপনির্বাচনে যাদু মিয়ার মেয়ে ও বাংলাদেশ পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান রিটা রহমান ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করলে এরশাদের ছেলে রাহগির আলমাহি এরশাদের (সাদ এরশাদ) কাছে হেরে যান। তবে ‘শুধু নির্বাচন এলেই রিটা রহমানকে রংপুরে দেখা যায়’ বলেও অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় ভোটারদের।
এই আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু, রংপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আনিছুর রহমান লাকু, বিএনপির সদস্য কাওছার জামান বাবলা, জেলা যুবদলের সভাপতি নাজমুল আলম নাজু, মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম মিজু, মহানগর কৃষক দলের সভাপতি শাহ নেওয়াজ লাবু। এই পাঁচ নেতা প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। কখনো দলের কর্মীর জন্য পুলিশের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে গেছেন। এসব কারণে দিনদিন তাদের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে।
এবার বিএনপির সঙ্গে ভাগ বসাতে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মাহবুবার রহমান বেলালকে এই আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে দলটি। রংপুরের সমাবেশে লাখ লাখ লোকের সমাগম ঘটায় আসনটি দখলে নেওয়ার স্বপ্ন দেখছে জামায়াতে ইসলামী।
এবার সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আমিরুজ্জামান পিয়ালকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে তার দল। এর আগে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ৪৯ হাজার ৮৯২ ভোট পান তিনি। এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মাওলানা ইব্রাহিম খলিলকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে।

রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা)
রংপুর-৪ (সাবকে রংপুর-১০) আসন থেকে ১৯৭৯ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন রহিম উদ্দিন ভরসা। তিনি ২০২০ সালের ১১ মার্চ মারা যান। তবে বাবার স্বপ্নগুলো পূরণ করতেই মাঠে নেমেছেন তার ছেলে কাউনিয়া বিএনপির সভাপতি এমদাদুল হক ভরসা। এবারের নির্বাচনে বিএনপির হেভিওয়েট সম্ভাব্য প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা। বিভিন্ন সভা-সমাবেশে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তিনি। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলে আরো জোরেশোরে মাঠে নেমে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
বসে নেই জামায়াতের প্রার্থী এটিএম আজম খান। জামায়াতের একক প্রার্থী হওয়ায় তাদের নেতাকর্মীরাও মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। চষে বেড়াচ্ছেন পাড়া-মহল্লার বিভিন্ন জায়গা। প্রতিদিনই গণসংযোগসহ সাধারণ মানুষকে দিচ্ছেন প্রতিশ্রুতি।
এই আসনে বিএনপি-জামায়াতের পাশাপাশি মাঠে নেমেছে নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপি। দল গোছানোর পাশাপাশি ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন দলটির নেতাকর্মীরা। তবে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম শুধু রংপুর-৪ আসনে আখতার হোসেনকে প্রার্থী ঘোষণা করলেও বাকি পাঁচটি আসনে এখনো কোনো প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।
এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘আমাদের দল বর্তমানে দেশের মানুষের কাঙ্ক্ষিত যে সংস্কারগুলো আছে সেগুলো নিয়ে কাজ করছে। নির্বাচন নিয়ে আমাদের যে পরিকল্পনা ও অন্য যে বিষয়গুলো আছে, সেগুলোকে আমরা স্তরে স্তরে জনতার কাছে পৌঁছে দিচ্ছি।’
এই আসনে অধ্যক্ষ গোলজার হোসেনকে একক প্রার্থী ঘোষণা দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং মাওলানা আবু শাহমাকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।
রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর)
গত বছরের ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর থেকেই রংপুরের সামগ্রিক রাজনীতির দৃশ্যপটও পাল্টে গেছে। এ কারণে জেলায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী।
আসটিতে বেশি জনপ্রিয়তা রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর জেলা আমির অধ্যাপক গোলাম রব্বানীর। এর আগে তিনি বিপুল ভোটে মিঠাপুকুর উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু তাকে বিভিন্ন মামলা দিয়ে নির্যাতন করা হয়। বিগত ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ব্যাপক ভূমিকা ছিল তার। এ কারণে এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী তাকেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে।
আসনটিতে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী রংপুর জেলা বিএনপির সদস্য প্রভাষক সাজেদুর রহমান রানা, মিঠাপুকুর উপজেলা বিএনপি সভাপতি গোলাম রাব্বানী, সাধারণ সম্পাদক মোতাহারুল হোসেন নিক্সন পাইকার। এ ছাড়া আসনটিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী জাহিদ হোসেন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুফতি বেলাল হুসাইন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ)
এই আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম। বিগত ১৫ বছর আন্দোলনের মাঠেও ছিলেন সক্রিয়। সর্বশেষ ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গেও লড়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী হয়ে। বিগত সরকারের কারসাজির নির্বাচনে হেরে যান তিনি। তবে জনপ্রিয়তা কমেনি তার। এই আসন থেকে এখন পর্যন্ত তিনিই বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী।
অন্যদিকে জামায়াতের একক প্রার্থী মাওলানা নুরুল আমিনও ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে সক্রিয় থাকায় ওই ইমেজকে কাজে লাগিয়ে ভোটারদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। এই আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা গোলাম রব্বানী। তবে প্রার্থী দেয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

