বগুড়া পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা পরিমল চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে এক কোটি ২৫ লাখ ৯৩ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় চার্জশিট দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদক বগুড়ার উপ-সহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ১৬ ফ্রেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত অভিযোগ পত্রটি বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে দাখিল করেন।
পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও সাবেক প্যানেল মেয়র পরিমল চন্দ্র দাস বগুড়া শহরের চেলোপাড়া এলাকার পরেশ চন্দ্র দাসের ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২৩ সালে দুর্নীতি দমন কমিশনের নির্দেশে অভিযুক্ত পরিমল চন্দ্র দাসের প্রতি সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়। একই প্রেক্ষিতে পরিমল চন্দ্র দাস ২০২৩ সালের ৩০ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশন বগুড়া জেলা কার্যালয়ে তার সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। বিষয়টি অনুসন্ধানের পর দুর্নীতি দমন কমিশন বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান একই বছরের ১০ ডিসেম্বর তৎকালীন বগুড়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পরিমল চন্দ্র দাসকে প্রায় সোয়া কোটি টাকার ও বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জন করায় তাকে আসামি করে দুদক জেলা কার্যালয়ে এই মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশন বগুড়া জেলা কার্যালয়ের উপ সহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান তদন্ত শেষে পরিমল চন্দ্র দাসের নামে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত এক কোটি ২৫ লাখ ৯৩ হাজার টাকা মূল্যমানের সম্পদ অর্জন করে তা নিজ ভোগ দখলে রেখে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে তদন্তকারী কর্মকর্তা গত ১৬ ফ্রেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত এই অভিযোগপত্র বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে দাখিল করেন।
এমএস
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

