মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বালিরটেক এলাকায় ‘আদর্শ ডিগ্রি মহাবিদ্যালয় খাবাশপুর’ কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন দাতা সদস্য পদ নিয়ে শুরু হয়েছে চরম বিতর্ক। ১৯৮৪ সালে কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য বেশির ভাগ জমি দিয়েছিলেন হাজী মো. আবু মুহাম্মদ শামসুল হুদা। অর্থ দিয়ে সাহায্য করেছিলেন সাবেক এমপি মরহুম হারুন উর রশিদ খান মন্নু মিয়া, হাজী আব্দুল করিম, মো. কায়সার রহমান।
পরবর্তীতে মো. কায়সার রহমানকে তার অবদানের জন্য ১৯৮৮ সালের ৭ মে এই কলেজের ‘প্রতিষ্ঠাতা আজীবন দাতা সদস্য’ হিসেবে মনোনয়ন করেন তখনকার কলেজ কর্তৃপক্ষ। সেই অনুযায়ী কলেজে তিনি দায়িত্বও পালন করেছেন কয়েক বছর। কিন্তু কলেজ প্রতিষ্ঠার ১৮ বছর পর কীভাবে নতুন করে আরেকজনকে প্রতিষ্ঠা দাতা বানানো হলো এটা নিয়ে চলছে কানাঘুষা।
জানা গেছে, ১৯৮৮ সালে দাতা সদস্য কায়সার রহমানের স্ত্রী মারা গেলে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। কয়েক বছর তিনি কলেজে গিয়ে দেখতে পান, দাতা সদস্য হিসেবে বোর্ডে তার নাম নেই এবং তিনি খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন তার দাতা সদস্য পদ বাতিল করা হয়েছে।
কায়সার রহমান ২০১৬ সালে কলেজের তৎকালীন অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলামকে লিখিত চিঠি দিয়ে আজীবন প্রতিষ্ঠা দাতা সদস্য হিসেবে নাম যুক্ত করার কথা বলেন। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েও দরখাস্ত করেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছে কেন মো. কায়সার রহমানকে দাতা সদস্য পদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে ।
এ বিষয়ে মো. কায়সার রহমান বলেন, ১৯৮৪ সালের ৫ আগস্ট এই কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। আমি এই কলেজের প্রতিষ্ঠা দাতা সদস্য ছিলাম। আমাকে অন্যায়ভাবে বাদ দেয়া হলে সমাজে কেউ কোনো ভালো কাজই করবে না।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

