নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে মৌসুমি ঝড়ে ছয়টি বৈদ্যুতিক খুঁটি পড়ে গিয়ে দুই দিন ধরে বিদ্যুৎহীন রয়েছেন ৩০০ গ্ৰাহক। পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। রাত কাটাচ্ছেন অন্ধকারে।
গত সোমবার ভোর ৫টায় হঠাৎ মৌসুমি ঝড়ে উত্তর দুড়াকুটি হাদুর মোড় থেকে ইসমাইল গ্রামের আজিজুলের মাল্টা বাগান পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিভাগ নেসকোর (কিশোরগঞ্জ) ছয়টি বৈদ্যুতিক খুঁটি মাটিতে পড়ে যায়। ফলে উত্তর দুরাকুটি গ্রামের বাসোপাড়া, ঠিকরিপাড়া, তাঁতীপাড়া, কাচারিপাড়া ও গুপ্ত গ্রামের ৩০০ বৈদ্যুতিক গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বিদ্যুতের দেখা মেলেনি এসব এলাকায়। রাতে পুরো গ্রাম ছিল অন্ধকারে ঢাকা। ফ্রিজ, রাইস কুকার, রাইস মিলসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি অচল হয়ে পড়েছে।
উত্তর দুড়াকুটি গ্রামের ঠিকরিপাড়ার আইয়ুব আলী বলেন, ‘গতকাল সোমবার ভোর থেকেই বিদ্যুৎ নেই। আমরা অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছি। গরুচুরির ভয়ে রাতে ঠিকমতো ঘুমাইনি।’
কিশোরগঞ্জ নেসকোর আবাসিক প্রকৌশলী সামসুল আরেফিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ভোরে প্রচণ্ড ঝড়ে ওই এলাকার গাছপালা ভেঙে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে পড়ে এবং ছয়টি খুঁটি মাটিতে পড়ে যায়। বৈদ্যুতিক সংযোগস্থলটি জলমগ্ন থাকায় খুঁটি স্থাপন সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যেই খুঁটি স্থাপন সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

