সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহসভাপতি এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেছেন, ১৯৭১ সালে ২৫ মার্চ কালো রাতে পাকিস্তানি সৈন্যরা যখন নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, তখন দেশের একমাত্র রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের মধ্যে কিছু আন্ডারগ্রাউন্ডে, কেউ পালিয়ে চলে গেল ভারতে, কিছু পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে ইচ্ছেকৃত ধরা দিয়েছিল। সারা দেশ যখন একটি নিরাশার আঁধারে ডুবে গেল, তখন মেজর জিয়া রুখে দাঁড়ান এবং চট্টগ্রাম কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
শনিবার (৩০ মে) বেলা ১১টায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আলতাফ চৌধুরী বলেন, দেশের কথা চিন্তা করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের দায়িত্ব হাতে নিয়ে ১৯৭৮ সালে ১৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল ‘জাগো দল’ গঠন করেন। ওই বছরেই সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠন করলেন। এটি একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দল। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল না, তখন বিভিন্ন কৌশলে দলটি ভাঙার চেষ্টা করেছে ক্ষমতাসীনেরা, কিন্তু পারেনি।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং সফল রাষ্ট্রনায়ক। বাংলাদেশসহ ছোট ছোট রাষ্ট্রকে নিরাপদ ও আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য সার্ক গঠন করেছিলেন। তার সময় সবুজ বিপ্লবের মাধ্যমে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা এবং চাল, ওষুধ, সিরামিক ও মাছ রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছিলেন শহীদ জিয়া। তার যোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাবার আদর্শ ধারণ করে দেশকে দুর্নীতিমুক্ত ও মাদককে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন। এই মহৎ কাজে সফলতার জন্য আপনাদের সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। শহীদ জিয়া শান্তিরক্ষী কমিশন, দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় কোস্ট গার্ড, আনসার ভিডিপি ও গ্রাম সরকার সৃষ্টি করেছিলেন।
এএস
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

