বরিশাল শের-ই-বংলা মেডিকেল কলেজসহ সারা দেশের স্বাস্থ্যখাতে অব্যবস্থাপনা, রোগীদের ভোগান্তি ও হয়রানির বিরুদ্ধে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে দেখা করে তাদের অনশন ভাঙানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর।
বুধবার দুপুরে তিনি শেবাচিমে হাসপাতালের সামনে অনশনরত শিক্ষার্থীদের সাথে দেখা করে তাদের দাবির প্রতি একমত থাকার বিষয়ে কথা বলেন এবং অনশন ভাঙানোর চেষ্টা করেন। এসময় শিক্ষার্থীরা মহা পরিচালক নয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাকে বরিশালে এসে দাবি মানার বিষয়ে ঘোষণা দেওয়ার দাবি তুলে নানা স্লোগান দেন।
পরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ডিজি শেবাচিমের হল রুমে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রশাসন, বিএনপি-জামায়াতসহ জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ ও সাংবাদিক নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন।
বৈঠকে স্বাস্থ্যের ডিজি অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর বলেন, স্বাস্থ্য খাত সংস্কার নিয়ে আন্দোলনকারীরা যে তিন দফা দাবি তুলেছে তা যৌক্তিক। তবে তা বাস্তবায়নে দীর্ঘ সময় লাগবে। সেবার মান বৃদ্ধিতে লোকবল, অবকাঠামোগত পরিবর্তনে সময় লাগবে। আন্দোলনকারীদের বিষয়ে বলেন, এটা কি সরকারকে বেকায়দায় ফেলে মাঝ থেকে কেউ ফায়দা লুটতে চায় কিনা তা ভাবতে হবে। তবে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দেখবে।

মতবিনিময় সভায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নেন।
এদিকে শেবাচিম হাসপাতালের স্বাস্থ্য পরিষেবা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার আন্দোলনকারীরা ১৭ দিন পার করেছেন। এরমধ্যে ৫ দিন ধরে তারা নগরীর নথুল্লাবাদে মহাসড়ক অবরোধ করায় যান চলাচল বন্ধ থাকে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই অবরোধ পালন করেন তারা। এছাড়া অনশনে রয়েছেন শেরেবাংলা মেডিকেলের প্রধান ফটকের সামনে। এই আন্দোলনে সরকারি ব্রজমোহন কলেজ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, হাতেম আলী কলেজ, বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


আন্দোলনে বক্তব্য শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, আটক ১