পিরোজপুর নেছারাবাদে নাঈম (২৫) নামে এক ছাত্রলীগ নেতা প্রবাসীর ঘরে চুরি করতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছেন। এ ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রী, কন্যাসহ তিনজনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্ত নাঈম স্বরূপকাঠি পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের রফিক মিয়ার ছেলে ও নিষিদ্ধ ঘোষিত উপজেলা ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় উপজেলার স্বরূপকাঠী পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার স্বরূপকাঠি পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ঘরের পাশে সুপারি গাছ থেকে উঠে ঘরের প্রবেশ করেন নাঈম। এ সময়ে ঘরে থাকা তার স্ত্রী নাজমা আক্তার দেখে ফেলায় মোবাইলে কল করতে উদ্যত হলে তাৎক্ষণিক হাতে থাকা ছুরি দিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে।
তার চিৎকার শুনে তার মেয়ে বাঁচাতে এলে তাকেও যখন করে। এসময় প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে নুহিন মিয়া এগিয়ে আসলে তাকেও গুরুতর যখম করে পালিয়ে যাওয়ায় সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে ।
পরবর্তীতে নেছারাবাদ থানায় খবর দিলে নাঈমকে পুলিশ নিয়ে যায়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত নাজমা আক্তার বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় আমি ঘরে কাজ করছিলাম। হঠাৎ দেখি নাঈম ঘরের পাশে থাকা সুপরি গাছ বেয়ে ওঠে আমার ঘরে প্রবেশ করেছে। আমি দেখে চিৎকার করে মোবাইলে ফোন দিতে গেলে তিনি ফোন দিতে বারণ করে হুমকি দেয়।
এ সময় আমি চিৎকার করি সঙ্গে সঙ্গে তার হাতে থাকা ছুরি দিয়ে আমাকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। এতে আমি আমার মেয়ে ও প্রতিবেশী নুহিন মিয়াকে কুপিয়ে জখম করে। আমাদের ডাক-চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের আপন বড় ভাই মিরাজ মিয়া বলেন, আমার ছোট ভাই দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে থাকে। এ সুযোগে নাঈম নামের একটি ছেলে দিনেদুপুরে চুরি করতে এসেছিল। এ ঘটনায় তিনজনকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতরভাবে আহত করেছে। তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছে।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, এ ঘটনায় নাঈম ও তার পিতা রফিককে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

-1ce876.jpg)