ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ফয়জুল হকের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারে মহিলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের বাধা দেওয়ার অভিযোগে রাজাপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার দুপুর দেড়টায় রাজাপুর প্রেসক্লাব সভা কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা মহিলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য খাদিজা বেগম মৌখিক বক্তব্যে অভিযোগ করেন, সোমবার সকালে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের পিংড়ি এলাকায় তার নেতৃত্বে একদল জামায়াত সমর্থিত নারী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারে যান।
এ সময় বিএনপি প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামালের পক্ষে প্রয়াত সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাসিম উদ্দিন আকনের বড় বোন মাজেদা বেগম প্রথমে তাদের বাধার সৃষ্টি করে। পরে তিনি মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানালে ঝালকাঠি জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জহিরুল হক সোহেলের নেতৃত্বে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হাসান,মো. নাজমুল হক চমন, নাসিম, সাইফুলসহ কয়েকজন স্থানীয় নেতা সেখানে গিয়ে প্রচারে বাধা সৃষ্টি করেন।
জামায়াতের নারী নেত্রীরা অভিযোগ করেন, তারা সেখান থেকে সরে পাশের এলাকায় গিয়ে প্রচার চালাতে চাইলে সেখানেও বাধা দেওয়া হয়। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং বলেন, “সোহেল ভাইয়ের এলাকায় এসব প্রচার চলবে না।”
খবর পেয়ে জামায়াতে ইসলামীর শুক্তাগড় ইউনিয়নের আমির আব্দুল আলিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তাকেও অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে জামায়াতের নেতাকর্মীরা বিএনপির সঙ্গে কোনো ধরনের সংঘাতে না গিয়ে স্থান ত্যাগ করেন। তারা জানান, পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানালে মারামারির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারত।
জামায়াতের নারী নেত্রীরা আরও অভিযোগ করেন, এর আগেও তিন থেকে চার দিন আগে একই এলাকায় প্রচার চালাতে গিয়ে তারা বাধার মুখে পড়ে ফিরে আসেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা আমির মাওলানা মো. কবির হোসেন, উপজেলা মহিলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সেক্রেটারি মোসা. সাহিদা বেগম,সহ সেক্রেটারি মারিয়ম বেগম। এছাড়াও এ সময় উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নারী নেত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

