ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে নৌকায় বসা নিয়ে ঘুষির আঘাতে মারা যাওয়া ঘটনা ২০ লাখ টাকায় রফাদফার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. মেহেদী হাসান আমার দেশকে বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখ জনক, উভয় পক্ষ দরিদ্র, মামলা মোকদ্দমা চালানোর মতো অবস্থা তাদের নেই এবং এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা করতে এলাকার মুরব্বি,সাহেব সর্দার ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পরামর্শক্রমে গতকাল রাতে আমার অফিসে বসে বিষয়টি আপোষ মীমাংসা করার উদ্যোগ নিতে পরামর্শ সভা হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই পরামর্শ সভায় উপস্থিত থাকা এক সর্দার জানান, হানিফ মিয়া মারা যাওয়ার ঘটনায় কোন মামলা মোকদ্দমা হবে না এবং এলাকায় এ নিয়ে আইনশৃঙ্খলার কোন অবনতি ঘটনা মর্মে, মোহল্লা গ্রামের এলেম খাঁ'র পক্ষ থেকে নিহত হানিফ মিয়ার পরিবারকে ২০ লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, নবীনগরে ইদানীং যেকোনো অপরাধ বা মৃত্যুর ঘটনা ঘটলেই টাকার বিনিময়ে সমাধান করার একটি অপসংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। এতে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
নবীনগর থানার অফিসার্স ইনচার্জ মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম আমার দেশকে বলেন, সামাজিকভাবে কি হয়েছে তা আমার জানা নেই। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সোমবার সকালে জেলা মর্গে প্রেরণ করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর রিপোর্টের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

