চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত দুই জামায়াতকর্মীর সহযোগীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করেছে পুলিশ। এ মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াত।
শুক্রবার বাদ জুমায় উপজেলার ফুলতলা বাজার ও জোটপুকুরিয়া বাজারে এ মিছিল-সমাবেশ হয়। এর আগে, বুধবার নিহত নেজাম উদ্দিন ও আবু ছালেকের সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন সাতকানিয়া থানার এসআই নাজমুল হাসান। মামলায় পাঁচজনের নামসহ অজ্ঞাত ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আসামিরা হলেন- সাতকানিয়ার কাঞ্চনা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কবির আহাম্মদের ছেলে আলমগীর (২০), ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুস সাত্তারের ছেলে ফরহাদ (৪০), ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আলমগীরের ছেলে মো. ফারুক ওরফে কালা ফারুক, উত্তর কাঞ্চনা দীঘিরপাড় এলাকার গুরা মিয়ার ছেলে সাইফুদ্দীন ওরফে সাবু ও এওচিয়া ইউনিয়নের চুড়ামণি এলাকার আব্বাস উদ্দিনের ছেলে অটোচালক হারুন।
প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন কাঞ্চনা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আবু তাহের। বক্তারা বলেন, নেজাম-ছালেককে নিহতের ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। উল্টো কোনো ধরনের তদন্ত ছাড়াই জামায়াতকর্মীদের নামে অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে। মূলত হত্যাকারীদের রক্ষা করতেই এমন ষড়যন্ত্র চলছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জামায়াতের এক নেতা বলেন, নিহত জামায়াতকর্মীরা অস্ত্র ব্যবহার করেছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম। অথচ তার বক্তব্য পুরোপুরি মিথ্যা। চব্বিশের আন্দোলনে সম্মুখযোদ্ধা ছিলেন নিহত ছালেক। এ কারণেই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

