বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলা প্রত্যাহারের পর রহস্যজনকভাবে আবার পুনরুজ্জীবিত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, জনগণের ভোট ছাড়া জনপ্রতিনিধি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
দীর্ঘ কারাবাস শেষে মুক্তির দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেলে সীতাকুণ্ড পৌরসভার এলকে সিদ্দিকী স্কয়ারে আয়োজিত গণসংবর্ধনা ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসলাম চৌধুরী এসব কথা বলেন। হাজারো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে এ সমাবেশটি অনুঠিত হয় ।
আসলাম চৌধুরী বলেন, প্রতিপক্ষের প্রার্থী আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছে, আবার তা উইথড্রও করেছে। কিন্তু রহস্যজনকভাবে আবার কোনো এক দিক থেকে অর্থের জোগান পেয়ে সেই মামলা রি-কল করা হয়েছে। তবে অর্থের জোগান কোথা থেকে এসেছে বা এর সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে তিনি কোনো নাম প্রকাশ করেননি।
সমাবেশে নিজের ব্যবসায়িক দেনা-পাওনা ও পারিবারিক সংকটের কথাও তুলে ধরেন বিএনপির এ নেতা। দীর্ঘ কারাবাসের সময় পরিবারের আর্থিক টানাপোড়েনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি মেয়ের একটি পুরোনো সামাজিক মাধ্যমের পোস্টের কথা স্মরণ করেন।
২০১৩ সালের সীতাকুণ্ডের আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ওই সময়ের আন্দোলন জাতীয় রাজনীতিতেও ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
দীর্ঘ কারাবাসের প্রসঙ্গ তুলে আসলাম চৌধুরী বলেন, ২০১৬ সালে দ্বিতীয়বার গ্রেপ্তারের পর কারাগারে থাকলেও তিনি সাধ্যমতো বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।
সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. কমল কদরের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপজেলা ও পৌর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন। সদস্য সচিব মো. মোরসালিন অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।
সমাবেশ শেষে এলকে সিদ্দিকী স্কয়ার থেকে বিশাল গণমিছিল বের করেন নেতাকর্মীরা। মিছিলটি সীতাকুণ্ডের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উত্তর বাজারে গিয়ে শেষ হয়।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

