প্রায় ১ হাজার ১৮৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রামের বাঁশখালী-আনোয়ারা-চকরিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রশস্ত ও আধুনিকায়ন প্রকল্প একনেক সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় ৫৮.২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি ৭০ ফুট প্রশস্ত করা হবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। একই সঙ্গে কর্ণফুলী টানেলের মাধ্যমে এ অঞ্চলের যোগাযোগ আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে।
এ প্রকল্পের জন্য একনেক সভায় অনুমোদন দেওয়ায় বাঁশখালী থেকে নির্বাচিত জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মাওলানা জহিরুল ইসলাম এমপি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্তের সূচনা হবে এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিনের জনদাবির এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে বাঁশখালী, আনোয়ারা, পেকুয়া, চকরিয়া ও আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ হবে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার হবে।
প্রকল্পের আওতায় মূল সড়কের উভয় পাশে ৩৫ ফুট করে মোট ৭০ ফুট জায়গা অধিগ্রহণ করা হবে। এতে আনোয়ারা থেকে শুরু করে বাঁশখালী হয়ে চকরিয়া (ঈদমনি) পর্যন্ত সড়কটি আধুনিক মানে উন্নীত করা হবে। প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে “আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া (ঈদমনি) আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প”।
এদিকে, দীর্ঘদিনের এই সড়ক উন্নয়ন দাবির বাস্তবায়নে একনেকের অনুমোদন পাওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাঁশখালীর প্রবীণ আইনজীবী ও সড়ক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত অ্যাডভোকেট দীলিপ দাশ। তিনি বলেন, এটি দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত একটি প্রকল্প।
তিনি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

