চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবিও জানান।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত থেকে কর্মবিরতি শুরু হয়। শুক্রবার বিকেলে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোন ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেননি।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সন্ধ্যাকালীন ডিউটি শেষ করে বাসায় ফেরার পথে নগরের চন্দগাঁও আবাসিক এলাকার প্রবেশমুখে ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. এশফাকুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এ সময় তার মোবাইল ফোন ভাঙচুর এবং তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করারও অভিযোগ উঠে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থলে সহপাঠীরা উপস্থিত হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী চিকিৎসক চন্দগাঁও থানায় মামলা দায়ের করবেন বলে জানা গেছে। মামলায় নিহাদ শাহরিয়ার, আফনান বিন উসমান, আবরার ফাইয়াজ, মোহাম্মদ আবরার, মোস্তফা কামাল সিদ্দিক, তাহমিদ ইব্রাহীম, মো. মারুফকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত সবাই ওই মেডিকেল কলেজের নবম ব্যাচের শিক্ষার্থী।
হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবি, হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা ও স্থায়ী বহিষ্কার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।
চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. মুহাম্মদ মুসলিম উদ্দীন সবুজ বলেন, কালকের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলেই দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান এ চিকিৎসক।
হাসপাতালের পরিচালক ডা. অং সুই প্রু মারমারকে এ বিষয়ে জানার জন্য মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
এএস
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

