ফ্যাসিস্ট সরকারের গুম, খুন, দুর্নীতিসহ সকল রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিচার এবং গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে চাঁদপুর শহরে গণমিছিল করেছেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে শহরের বায়তুল আমিন চত্বর থেকে এই গণমিছিল বের হয়। শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহরের বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।
এর আগে বায়তুল আমিন চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন চাঁদপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী। তিনি বলেন, গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ করে দ্রুত সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে দাম কমিয়ে আনার দাবি জানান তিনি।
ছাত্ররাজনীতি প্রসঙ্গে মাওলানা বিল্লাল হোসেন মিয়াজী অভিযোগ করেন, সারা দেশে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের ওপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালাচ্ছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অন্যথায় পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট মাসুদুল ইসলাম বুলবুল, সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়া, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মো. আবুল হোসাইন, ফরিদগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. ইউনুছ হেলাল, চাঁদপুর পৌর জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান খান, এনসিপির জেলা কমিটির আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম এবং খেলাফতে মজলিসের জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি শোয়াইব।
জামায়াতে ইসলামীর জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ শাহ আলম, ছাত্রশিবির চাঁদপুর শহর শাখার সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির আফসার উদ্দিন মিয়াজী এবং ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি হাসিবুর রহমান হাসানসহ ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা গণমিছিলে অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে বক্তারা গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধের জোর দাবি জানান।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

