চট্টগ্রামের পটিয়ায় অবস্থিত যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (পটিয়া চৌকি) আদালতের আওতাধীন আনোয়ারা ও চন্দনাইশ উপজেলার আদালতে প্রায় ১৮ মাস ধরে বিচারক না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিচারপ্রার্থীরা। অন্য আদালতের বিচারকের মাধ্যমে অতিরিক্ত দায়িত্বে দায়সারাভাবে পরিচালিত হচ্ছে এ দুই আদালতের কার্যক্রম। ফলে প্রায় ৯ হাজার মামলা জটের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, ১৮৮২ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার চট্টগ্রামের পটিয়ার আদালত ভবন নির্মাণ করে। একই বছর এই ভবনে চৌকি আদালত চালু করা হয়। বর্তমানে এটি পটিয়া যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত হিসেবে পরিচিত। পটিয়া চৌকি আদালতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের পাঁচ উপজেলার দেওয়ানি আদালতের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পটিয়া ছাড়াও বোয়ালখালী, আনোয়ারা, চন্দনাইশ ও কর্ণফুলী উপজেলার বিচারপ্রার্থীরা এ আদালতের মাধ্যমে বিচারসেবা গ্রহণ করেন। কিন্তু আনোয়ারা ও চন্দনাইশ আদালতের বিচারক ২০২৫ সালের শুরুতে বদলি হওয়ার পর তাদের স্থলে নতুন কোনো বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। পরে বোয়ালখালী আদালতের দায়িত্বে থাকা সিভিল জজ পলিনা আক্তারকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুই উপজেলার আদালতে বিচারক না থাকায়, প্রায় ৯ হাজার মামলা বিচারাধীন অবস্থায় আটকে রয়েছে। দীর্ঘদিন বিচারক সংকটের কারণে মামলার জট বাড়ছে এবং বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। পটিয়া চৌকি আদালতের নাজির অনিক গুপ্ত বলেন, দুই আদালতে প্রায় ৯ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বিচারক বদলি হওয়ায় এ সমস্যা দেখা দিয়েছে।
বিচারপ্রার্থীরা বলেন, একটি মামলার একবার শুনানি হওয়ার পর পরবর্তী শুনানির জন্য চার থেকে ছয় মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। তারা দ্রুত শূন্য পদে বিচারক নিয়োগের দাবি জানান। পটিয়া আইনজীবী সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক এমদাদ উল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘পটিয়া চৌকি আদালতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের পাঁচ উপজেলার বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

