এলডিপির চেয়ারম্যান ও ১১ দলীয় জোটের শীর্ষনেতা মুক্তিযোদ্ধা ড. কর্ণেল অলি আহমদ বলেছেন, ব্যাংক লুটেরাই এখন বিএনপিতে রাজত্ব করছে, আমিও বিএনপিতে ছিলাম তাদের এসব কারণে ত্যাগ করে চলে এসেছি।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম ১৬ বাঁশখালী আসনে ১১দলীয় জোট, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলামের সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
বাঁশখালী আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ ইসমাইলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি আরো বলেন, আগামী নির্বাচনে চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ ও লুটেরাদের বয়কট করে ১১দলীয় মনোনীত সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে হবে।
সভায় প্রধান আলোচকের বক্তৃতায় বক্তব্য রাখেন সাবেক সাংসদ ও চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া, লোহাগড়া আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী।
তিনি বলেন, আমি মোরাকাবায় বসে ছিলাম, আমার মনে হল আগামী দিনে দাঁড়ি পাল্লা নিয়ে বাঁশখালীর জহিরুল ইসলাম এমপি হয়ে সংসদে যাবেন। উনার (জহিরুল ইসলাম) বক্তব্য শুনে মনে হল তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে সংসদে বক্তব্য দিচ্ছেন।
তিনি আরো বলেন, রতনে রতন চিনে বলেই শহীদ জিয়ার ঘনিষ্ঠ সহচর কর্ণেল অলি আহমেদ ও এনসিপি নেতারা আজ জামায়াতে ইসলামীর সাথে। তিনি একটি ইসলামী দলের সমালোচনার জবাবে বলেন, আমরা নাকি মদিনার ইসলাম নই, সমস্যা নেই আমরা মক্কার ইসলাম। হজ্জ করতে গেলে মক্কায় না গেলে হজ্জ কবুল হবেনা।
তিনি বলেন, শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হকের সুযোগ্য সন্তান, মাওলানা মামুমুল হক, নেজামে ইসলাম পাাটির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার জমায়েতের সাথে। সুতরাং আল্লাহর সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে জামায়াত আগামীতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবে।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন,চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমীর নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর অধ্যাপক জাফর সাদেক, বাঁশখালী থেকে জামায়াতের সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম, বাঁশখালী উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা ইসমাইল ও সেক্রেটারি আরিফুল্লাহ এবং
জেলা জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি এডভোকেট আবু নাছেরের যৌথ সঞ্চালনায় সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হকসহ জেলা উপজেলার জামায়াত এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা কর্মীগন উপস্থিত ছিলেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

