২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট ১ হাজার ৯৯৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে কৃতকার্য হয়েছেন ৭৭০ জন।
উপজেলায় পাসের এই হারের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি করেছে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেখান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এর মধ্যে জিনোদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে দুজন এবং বীরগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে সাতজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। অন্যদিকে, আলিম উদ্দিন জোবেদা কলেজ শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১১টি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় ১ হাজার ৭৮১ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এদের মধ্যে ১০টি ‘এ প্লাস’সহ কৃতকার্য হয়েছেন ৬৫৮ জন, যেখানে পাসের হার ৩৬.৯৪ শতাংশ। সাধারণ কলেজগুলোর মধ্যে তুলনামূলক ভালো ফলাফল করেছে বিটঘর দানবীর মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য বিদ্যাপীঠ। এই প্রতিষ্ঠান থেকে ১২১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তিনটি ‘এ প্লাস’সহ ৬৭ জন পাস করেছেন, পাসের হার ৫৫.৩৭ শতাংশ। এছাড়া নবীনগর সরকারি কলেজে পাসের হার ৪২.৮৬ শতাংশ এবং নবীনগর মহিলা ডিগ্রি কলেজে পাসের হার ৩০.৪ শতাংশ।
বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় নবীনগর উপজেলার পাঁচটি মাদরাসা থেকে ১৭৭ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এদের মধ্যে চারটি ‘এ প্লাস’সহ পাস করেছেন ৭৬ জন, যেখানে পাসের হার ৪২.৯৩ শতাংশ। আলিম পরীক্ষায় সবচেয়ে ভালো ফল করেছে নারায়ণপুর ডিএস কামিল মাদরাসা; এই মাদরাসা থেকে ৫৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ২৯ জন, যার পাসের হার ৫৪.৭২ শতাংশ।
অন্যদিকে, কারিগরি বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (বিএম) ধারায় দুটি কলেজ থেকে ৪১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে তিনটি ‘এ প্লাস’সহ ৩৬ জন পাস করেছেন। এ বিভাগে পাসের হার ৮৭.৮০ শতাংশ। এর মধ্যে আলিম উদ্দিন জোবেদা কলেজ থেকে ১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে দুটি ‘এ প্লাস’সহ ১১ জনই পাস করেছেন, ফলে প্রতিষ্ঠানটিতে পাসের হার শতভাগ (১০০%)।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

