১/১১-এর খলনায়ক ও ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লে. জে. (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে এবার শতকোটি টাকা পাচারের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আদালত।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল হাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।
এর আগে গত ২৩ মার্চ বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার ২ নম্বর লেনের ১৫৩ নম্বর বাড়ি থেকে মাসুদ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সিন্ডিকেট করে ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচারের মামলায় পরদিন পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়।
এরপর হত্যাসহ কয়েকটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। ৪৪ দিন রিমান্ড শেষে গত ৭ মে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
শুনানিকালে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। গত বছরের ২৮ আগস্ট বনানী থানায় সিআইডি পুলিশের এসআই মনিরুজ্জামান, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীসহ ৩৩ জনকে আসামি করে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে এ মামলা করেন।
এতে মাসুদ চৌধুরীর প্রতিষ্ঠান ফাইভ এমের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে সরকার নির্ধারিত ফি ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার পরিবর্তে দেড় লাখ টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়। এর বাইরে পাসপোর্ট খরচ, কোভিড টেস্ট, মেডিকেল ও পোশাক ফি মিলিয়ে আরও সাড়ে ৩৬ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছে একেকজনকে।
এ হিসাবে ৯ হাজার ৩৭২ জনের কাছ থেকে জনপ্রতি ১ লাখ ৭ হাজার ৫১০ টাকা করে অতিরিক্ত নেওয়া হয়েছে। মামলায় তিনি মোট ১০০ কোটি ৭৫ লাখ ৮৩ হাজার ৭২০ টাকা আত্মসাৎ এবং পাচার করেছেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

