চসিকে দুর্যোগ মোকাবিলায় ১০১ সদস্যের র‌্যাপিড রেসপন্স টিম গঠন

চট্টগ্রাম ব্যুরো

চসিকে দুর্যোগ মোকাবিলায় ১০১ সদস্যের র‌্যাপিড রেসপন্স টিম গঠন

চট্টগ্রামে গত ৫ জুলাই থেকে ৭ জুলাই দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ৪৩ বছরের মধ্যে রেকর্ড ৫৪৬.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এছাড়াও বিকাল তিনটা নাগাদ আগের ২৪ ঘন্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে নগরে।

এতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও দুর্যোগ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরাসরি মাঠে নেমেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন। পাশাপাশি চসিকের পক্ষ থেকে জলাবদ্ধতাপ্রবণ ও পাহাড়ঘেঁষা এলাকার জন্য ১০১ সদ্য বিশিষ্ট একটি র্রাপিড রেসপন্স টীম গঠন করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় মেয়র এই কমিটি গঠন করেন। চসিক ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে ১০১ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটিতে চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আমিনকে আহ্বায়ক এবং চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্টের সেক্রেটারি গোলাম বাকি মাসুদকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। যেকোনো জরুরি সহযোগিতার জন্য একটি হটলাইন নম্বরও (০১৮০৫-৭৮৩৩৮৯) চালু করা হয়েছে।

মাঠ পরিদর্শনে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চসিকের অধীনে থাকা জলাবদ্ধতা প্রকল্পের কাজ ৭০ শতাংশ শেষ হয়েছে। নগরীর বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, চকবাজারসহ অধিকাংশ এলাকায় এবার উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা হয়নি। তবে হিজড়া খাল, জামালখান ও গুলজার খালের বাকি ৩০ শতাংশ কাজ চলমান থাকায় কিছু নিচু এলাকায় সাময়িক পানি জমলেও তা দ্রুত নেমে যাচ্ছে। পুরো প্রকল্প শেষ হলে নগরবাসী এর শতভাগ সুফল পাবেন।

নালা-নর্দমায় পলিথিন, প্লাস্টিক ও ককশিট ফেলে পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টির তীব্র সমালোচনা করে মেয়র বলেন, যারা যত্রতত্র বর্জ্য ফেলে নগরীকে সংকটে ফেলছে, তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা ও জরিমানা করা হবে। টানা বর্ষণে পাহাড়ধসের আশঙ্কা থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত চসিকের আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেন চসিক মেয়র। এছাড়া উপড়ে পড়া গাছ অপসারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ

এলাকার খবর
Loading...