ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে তিন র্যাব সদস্যকে আটকে রেখে মারধরের ঘটনায় শফিক ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার গভীর রাতে রাজধানীর কামরাঙ্গীচরের ঝাউলাহাটি শহীদ কাওসার রোড এলাকায় একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৯ ও র্যাব-১০।
সোমবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাকে নিয়ে আসা হয়।
গ্রেপ্তার সফিক নবীনগর উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের খাগাতুয়া গ্রামের শহীদ ব্যাপারীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, ধর্ষণ, মাদক, চাঁদাবাজিসহ ১৫টির বেশি মামলা রয়েছে।
সোমবার দুপুরে র্যাব-৯-এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
র্যাব জানায়, ১১ মে তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে নবীনগর উপজেলার খাগাতুয়া এলাকায় গেলে শফিক ডাকাত ও তার সহযোগীরা র্যাবের চার গোয়েন্দা সদস্যের ওপর অতর্কিত সশস্ত্র হামলা চালায়। পরে তাদের প্রায় তিন ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত র্যাব সদস্য ও স্থানীয়দের সহায়তায় আহত সদস্যদের উদ্ধার করে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে কনস্টেবল মালেকের মাথায় আঘাত, হাবিলদার রাশেদ ডান হাত ভাঙা, কনস্টেবল কাজলের বাম হাত ভেঙে ফেলা হয়। পরবর্তী উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঘটনার পর একাধিক অভিযান চালিয়ে শফিক ডাকাতের কয়েকজন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হলেও তিনি আত্মগোপনে চলে যান। প্রায় দুই মাস পর একটি বিকাশ অ্যাকাউন্টের সূত্র ধরে তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নুরনবী বলেন, সন্ত্রাসীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে। এর আগে মে মাসে খাগাতুয়া গ্রামে র্যাবের ওপর হামলার পর অভিযান চালিয়ে তার বাহিনীর নারীসহ পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
নবীনগর থানার ওসি মোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, ‘সফিক ডাকাত র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। আসামিকে এখনো থানায় আনা হয়নি। থানায় আনা হলে বিস্তারিত বলতে পারব।
জেডএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

