বরুড়ার বিজরা-রহিমানগর সড়কের নির্মাণকাজে অনিয়ম

বরুড়ার বিজরা-রহিমানগর সড়কের নির্মাণকাজে অনিয়ম

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার বিজরা বাজার-রহিমানগর সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দরপত্রে উল্লিখিত ইট, বালু, খোয়া নির্দিষ্ট মানের না হওয়া, সড়কের পাশে বিভিন্ন জলাশয় ঘেঁষে রিটার্নিং দেয়াল নির্মাণ সবকিছুতেই রয়েছে অনিয়ম। তবে উপজেলা প্রকৌশলী ঠিকাদারের পক্ষ নিয়ে এই প্রতিবেদককে পাল্টা প্রশ্ন করেন, আপনি কি ইট চেনেন? আর ঠিকাদার বলেন, কাজ শতভাগ সঠিক। সরেজমিনে নির্মাণাধীন সড়ক ঘুরে পাওয়া তথ্যসহ স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, জেলার প্রত্যন্ত কৃষি নির্ভর বরুড়া উপজেলার এই সড়কটি কুমিল্লা, সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক সংলগ্ন বিজরা বাজার থেকে একই উপজেলার ভায়া বাত্তেস্বর হয়ে পার্শ্ববর্তী চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার রহিমানগর পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার সড়কের কাজ প্রশস্ত ও শক্তিশালীকরণ (সিডি ডব্লিউ এসপি) প্রকল্পের আওতায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রায় ১৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকায় এম এস নিপা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণকাজ শুরু করে।

কাজটি শেষ করার কথা ছিল ২০২৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর। সম্পূর্ণ নতুন করে সড়কটি নির্মাণের পাশাপাশি সড়কের পাশে অসংখ্য জলাশয়, খাল, পুকুর, ডোবা থাকায় কাজের দরপত্রে সড়কের স্থায়িত্ব রক্ষায় প্রটেকশন দেয়াল নির্মাণের কথা দরপত্রে ছিল। প্রটেকশন দেয়ালে প্লাস্টারসহ দেয়ালের নিচে তিন ইঞ্চি সিসি ঢালাইয়ের কথাও উল্লেখ ছিল। কিন্তু ১১ অক্টোবর সড়কটির একবাড়িয়া শাপলোলা, হেরপেটি, বাত্তেস্বর প্রমুখ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রটেকশন দেয়ালে প্লাস্টার নেই, সিসি ঢালাই নেই। ঐ এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা রহিমের বাড়ির পাশে প্রটেকশন দেয়ালের কাছে মাটি কেটে ফেলেছে ঠিকাদারের লোকজন। শাপলোলা এলাকায় দেখা গেছে, সড়কটির নির্মাণকাজে ব্যবহৃত নিম্নমানের খোয়া। যা রোলারের চাপে গুঁড়ো হয়ে গেছে।

বিজ্ঞাপন

কুমিল্লা জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মফিজউদ্দিন বাবুল বলেন, বিষয়টি আমাদের বরুড়া উপজেলা প্রকৌশলী দেখভাল করছেন। এমন কোনো অভিযোগ আমার কাছে আসেনি।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন