ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এর গুলিতে নিহত মোহাম্মদ মুরসালিন ও নবীর হোসেনের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানাতে শুক্রবার বিকেলে তাদের বাড়িতে গেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলার প্রতিনিধি দল। এ সময় তারা পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান ও সান্ত্বনা দেন।
প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য আতাউর রহমান সরকার। এ সময় জেলা জামায়াতের যুব বিষয়ক সম্পাদক কাজী সিরাজুল ইসলাম, কসবা উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শিবলী নোমানী, কসবা পৌরসভা আমীর হারুন অর রশীদ, জেলা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক সাইফুল্লাহ আল আরিফ,উপজেলা শিবির সভাপতি জাহিদ হাসান, সেক্রেটারি আহমেদ বাদল, সাবেক উপজেলা সভাপতি আমীর হোসাইন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পরে আতাউর রহমান সরকার সাংবাদিকদের বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা দু:খজনক। মেনে নেয়া যায় না। সরকারের উচিৎ হত্যাকাণ্ডের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে ভারতের কাছে প্রতিবাদ জানানো।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হলেও সার্বভৌমত্ব হারিয়েছে ভারতের হাতে। সীমান্তে পাখির মতো গুলি করে বাংলাদেশীদের হত্যার ঘটনাগুলো সুস্পষ্ট আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। এসব হত্যাকান্ড বন্ধ না বাংলাদেশের বিপ্লবী ছাত্র-জনতা দেশের সীমান্ত রক্ষায় অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করবে ইনশাআল্লাহ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

