জনগণ চাইলে কোনো স্বৈরাচার দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না: মঞ্জুরুল করিম রনি

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর

জনগণ চাইলে কোনো স্বৈরাচার দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না: মঞ্জুরুল করিম রনি

জনগণ চাইলে কোনো স্বৈরাচার দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না বলে জানিয়েছেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম মঞ্জুরুল করিম রনি। বৃহস্পতিবার রাতে ওহাব আইডিয়াল পাবলিক হাইস্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ১৭ বছর অত্যাচার এবং নির্যাতন করে আপনাদের কাছ থেকে আমাদেরকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছিল। কোনো অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে দেয়া হতো না। ফ্যাসিবাদ সরকার বিএনপিসহ সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার এবং নির্যাতন চালিয়ে ক্ষ্যান্ত থাকেননি তারা বাংলাদেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্র কাঠামোকে দলীয় তন্ত্রে রূপান্তরিত করেছে এবং ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। বাংলাদেশের ব্যবসা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার জন্য ষড়যন্ত্র চালিয়েছিল। ইসলাম শিক্ষা বইয়ের মধ্যে হিন্দুদের মূর্তি দিয়ে বাংলাদেশের হিন্দু এবং মুসলমানদের মধ্যে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা চালিয়েছিল। ইতিহাস বিকৃতি করে তারা।’

এ সময় তিনি বলেন, ‘বিএনপি গণমানুষের দল, মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সব সময় রাষ্ট্রপরিচালনা করেছে। এবারও মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনায় আসতে চায়। এজন্য সহযোগিতা প্রয়োজন। খুনি হাসিনা এখনো দিল্লি থেকে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে, দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র এখনও বাংলাদেশ অব্যাহত রয়েছে তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করবে।’

বেগম জিয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিনি গণতন্ত্রের জন্য সারাজীবন লড়াই করে গেছেন, সেই মানুষটিকে এক কাপড়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল। আর আজ বাংলাদেশের মানুষ ছাত্র-জনতা মিলে শেখ হাসিনার বাড়ি ভেঙে দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আল্লাহর বিচার এভাবে হয়। আল্লাহ সীমা লংঘনকারীকে পছন্দ করেন না। এছাড়া বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলা দিয়ে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করেছিল ফ্যাসিবাদ খুনি হাসিনা। তিনি এখন লন্ডনের চিকিৎসাধীন রয়েছেন সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।

‘আমার বাবা মরহুম এম এ মান্নানকে আপনারা সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে এমপি ও মেয়র নির্বাচিত করেছিলেন। তাকেও মিথ্যা মামলায় জর্জরিত করে এই খুনি হাসিনার দোসরা তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছিল। তিনি মিথ্যা মামলায় দীর্ঘদিন কারাবন্দি ছিলেন। এই জাঙ্গালিয়া অধ্যাপক এম এ মান্নান সাহেবের প্রিয় একটি গ্রাম ছিল এবং এই এলাকার মানুষের উন্নয়নের জন্য সমস্যা সমাধানের জন্য সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছিলেন।’

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...