গোপালগঞ্জে চাঁদাবাজির মামলায় মেহেদী হাসান রাসেল ও তার দুই সহযোগীকে ৫ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছে আদালত। একই সঙ্গে অনাদায়ে আরো ৪ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রোববার দুপুরে গোপালগঞ্জ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইয়াসিন আরাফাত এ রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্ত মেহেদী হাসান মিয়া ওরফে রাসেল গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার খাগড়াবাড়িয়া গ্রামের বালা মিয়ার ছেলে। সাজাপ্রাপ্ত অপর দুই সহযোগী হলো এস.এম সাজিদ ইয়াসিন ওরফে ইয়াসিন শেখ ও আব্দুল্লাহ শেখ ওরফে আব্দুল্লাহ। এদের মধ্যে রাসেল পলাতক রয়েছেন।
মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৯ মার্চ কাশিয়ানী উপজেলার খাগড়াবাড়ী গ্রামে এস.এস মেটালের ম্যানেজার আজিজুল ইসলাম মিয়ার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন আসামিরা। এ ঘটনায় ওই বছরের ১০ মার্চ গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানায় আজিজুল ইসলাম মিয়া বাদী হয়ে একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন।
পরে দীর্ঘ সময় ধরে তদন্ত ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান রাসেল ও তার দুই সহযোগীকে এ সাজার রায় দেন।
বাদী পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম.এ আলম সেলিম এবং অ্যাডভোকেট ফয়সাল সিদ্দিকী। রায় প্রচারের পর স্থানীয়রা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে গোপালগঞ্জে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা শওকত আলী দিদার হত্যা মামলায় গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার রাসেল বাহিনীর প্রধান মেহেদী হাসান রাসেলকে আটক করেছিল পুলিশ। সে সময় জামিনে বেরিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার শুরু করেন তিনি।
তার বিরুদ্ধে কাশিয়ানী থানায় একাধিক চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে। এছাড়া কাশিয়ানী থানার বেশ কয়েকটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামিও তিনি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

