ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা জেলার ২০টি আসনের ফলাফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। সদ্য শেষ হওয়া এই নির্বাচনে জেলার সবকটি আসনের মধ্যে বিএনপির বিজয়ী প্রার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে চমক দেখিয়েছেন ঢাকা-১ (দোহার ও নবাবগঞ্জ) আসনের খন্দকার আবু আশফাক।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, এ আসনের মোট ভোটার ৫ লাখ ৪৫ হাজার ১৪৫টি। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৫২৩। এর মধ্যে একাই ১ লাখ ৭২ হাজার ৪০২ ভোট পেয়ে সর্বোচ্চ আলোচনায় উঠে আসেন আবু আশফাক। রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করে তোলা বিএনপির এই জনপ্রিয় প্রার্থীকে নবগঠিত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বে দেখতে চান দোহার ও নবাবগঞ্জবাসী।
স্থানীয় নেতা ও জনগণ মনে করেন, দোহার ও নবাবগঞ্জের উন্নয়নের জন্য অভিজ্ঞ ও দূরদর্শী নেতৃত্ব প্রয়োজন। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আমলে দীর্ঘ জেল, জুলুম ও নির্যাতনের শিকার আবু আশফাকের সেই মেধাবী ও দক্ষতা রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দোহার-নবাবগঞ্জ এলাকায় রাজনৈতিকভাবে সক্রিয়। স্থানীয় সংগঠনকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত। স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় ও তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি তিনি ব্যবসায়িক অঙ্গনেও পরিচিত মুখ। তার মালিকানাধীন রিক্রুটিং প্রতিষ্ঠান ‘খোন্দকার ওভারসিজ’। তিনি এ প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিস (বায়রা)-এর নিবন্ধিত সদস্য হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
দলীয় নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেন, মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পেলে খন্দকার আবু আশফাক দোহার-নবাবগঞ্জের অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে—এমন প্রত্যাশাই এখন স্থানীয়দের।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

