মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার ক্রোকিরচর ইসলামীয়া মহিলা ফাজিল মাদরাসায় এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজন পাস করেছে। বাকি ৭ শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছে। এ নিয়ে উপজেলা জুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে।
মঙ্গলবার মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে মোট শিক্ষার্থী রয়েছে মাত্র ৮ জন। এর বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন ১৬ জন এবং কর্মচারী রয়েছেন ৫ জন। ১৬ জন শিক্ষকের মধ্যে ৮ জন নারী ও ১০ জন পুরুষ শিক্ষক। অর্থাৎ, মাত্র ৮ শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক-কর্মচারী মিলিয়ে মোট ২১ জন জনবল দায়িত্ব পালন করছেন। এ সব শিক্ষক ও কর্মচারী মিলে মাসে বেতন নিচ্ছেন প্রায় ৭ লাখ টাকা।
এদিকে এবারের দাখিল পরীক্ষায় ৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে মাত্র একজন উত্তীর্ণ হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান ও পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। স্থানীয়দের দাবি, শিক্ষার্থী সংখ্যা, পরীক্ষার ফলাফল ও শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যার মধ্যে এমন অসামঞ্জস্যের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে জানতে মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফ উল আরেফিন বলেন, ঐ প্রতিষ্ঠান বা, মাদরাসার শিক্ষকদের কাছে বিষয়টি জানতে হবে সঠিক উত্তর না দিতে পারলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যপারে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশ্রাফুল আলম জানান, বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

