ফতুল্লার সাইনবোর্ড এলাকায় একটি ভাড়া বাসা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফারজানা ইসলামের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার রাত ১১টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। ফারজানা ফার্মেসি বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্বামী নাজমুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। নাজমুল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী।
পুলিশ লাশ তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
ফারজানার পরিবারের দাবি, যৌতুকের জন্য নির্যাতনের পর তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
নিহতের ভাই আরিফুল ইসলাম জানান, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে ফারজানার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চলছিল। নির্যাতনের কারণে তিনি গত বছরের ডিসেম্বরে বাবার বাড়িতে চলে যান এবং স্বামীর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা করেন। পরবর্তীতে দুই পরিবারের সমঝোতায় মামলা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
আরিফুলের অভিযোগ, মামলা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরেই ফারজানাকে হত্যা করা হয়েছে। মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগেও বোনের সঙ্গে স্বাভাবিক কথা হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গাজী সুমন মাহতাব জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফারজানাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পায়। প্রাথমিক তদন্তে এটি আত্মহত্যা বলে মনে হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ছাড়া মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

