‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ (সিজন-২)-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কাল খুলনা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি খুলনা সিটি করপোরেশনসহ বাগেরহাট জেলা সফরে এসে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে বর্ণিল সাজে সেজেছে খুলনা মহানগরী। নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ গড়ে তুলতে নগরীর বিভিন্ন দেয়ালে আঁকা হয়েছে ইতিহাস, ঐতিহ্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পর্যটন সম্ভাবনাসংবলিত নানা রঙের চিত্রকর্ম।
ইতোমধ্যে দেয়ালচিত্র ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমে নগরীতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। তবে বরাবরের মতো তোরণ, ব্যানার কিংবা প্লাকার্ড দিয়ে শহর ঢেকে ফেলার প্রথা ভেঙে এবার এক ভিন্নধর্মী দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চলেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। তাদের মূল লক্ষ্য অপ্রয়োজনীয় ব্যানার-ফেস্টুন ও তোরণ নির্মাণ না করে পথজুড়ে শৃঙ্খলার দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করা।
অন্যদিকে, শহরের দেয়ালচিত্রে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সুন্দরবন, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হরিণ, বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক নিদর্শন। এসব চিত্রকর্মের মাধ্যমে নগরীর সাধারণ দেয়ালগুলোকে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবিতে রূপ দেওয়া হয়েছে।
বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি যৌথভাবে সর্বকালের সর্ববৃহৎ ও স্মরণকালের সেরা সংবর্ধনা দেওয়ার সার্বিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। রূপসার কুদির বটতলা থেকে শুরু করে রূপসা বাইপাস সড়ক হয়ে শেরে বাংলা রোড দিয়ে পাওয়ার হাউস মোড় ঘুরে জেলা স্টেডিয়াম পর্যন্ত সুদীর্ঘ সড়কের দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে, অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও মার্জিত পরিবেশে অবস্থান নেবেন খুলনাঞ্চলের লাখো নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।
প্রধানমন্ত্রীর সফর নির্বিঘ্ন ও সফল করতে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সফর উপলক্ষে যানবাহন রিকুইজিশন, বিশ্রামের ব্যবস্থা, হেলিপ্যাড প্রস্তুত, অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি চিকিৎসাসেবা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, জেনারেটর, অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম এবং নিরাপত্তাব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
৫ নভেম্বর খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে একযোগে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হবে। দ্বিতীয় আসরে অংশগ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে দেশের প্রায় ১৬ লাখ ২৩ হাজার তরুণ-তরুণী রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছেন (প্রথম আসরে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৬৮ হাজার)। নিবন্ধিত প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে দল গঠন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রায় ১৪ লাখ ক্রীড়াবিদ এই বিশাল ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

