বিশ্বের দ্বিতীয় এবং দেশের সর্ববৃহৎ দানাদার ইউরিয়া উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জামালপুরের সরিষাবাড়ীর তারাকান্দির যমুনা সার কারখানা (জেএফসিএল) গ্যাস সংযোগের পর গত মঙ্গলবার উৎপাদন শুরু হয়েছে। যমুনা সার কারখানার উৎপাদন শাখার বিভাগীয় প্রধান ফজলুল হক রতন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্যাস সংকটে প্রায় আট মাস বন্ধ রাখার পর গত ২০ সেপ্টেম্বর গ্যাস সংযোগ পেয়ে কারখানার উৎপাদন শুরুর প্রাথমিক প্রস্তুতি গ্রহণ করে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় ও কারখানা সূত্র জানায়, ১৯৯২ সালের পহেলা জুলাই যমুনা সার কারখানা বাণিজ্যিকভাবে দানাদার ইউরিয়া উৎপাদন শুরু করে।
এটি বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্পসংস্থার (বিসিআইসি) অধীন। দৈনিক ১ হাজার ৭০০ টন ইউরিয়া সার উৎপাদনে সক্ষম। এ সার কারখানাটি ৪২ পিএসআই চাপে গ্যাস প্রয়োজন হয়।
এ ব্যাপারে যমুনা সার কারখানার মহাব্যবস্থাপক দেলোয়ার হোসেন জানান, ‘২০ সেপ্টেম্বর তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন আন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি যমুনায় গ্যাস সংযোগ দেওয়ার পর কারখানার স্টার্টআপ শুরু করা হয়। সার কারখানাটিতে ৪২ পিএসআই চাপে গ্যাস প্রয়োজন হলেও তা ২৬/২৭ পিএসআই চাপে নেমে আসে। গত মঙ্গলবার ৩৮/৩৯ পিএসআই চাপ পেয়েই অ্যামোনিয়া ও ইউরিয়া উৎপাদন শুরু করেছি। যেহেতু কারখানা পুরোনো তাই শতভাগ উৎপাদন আশা করা যায় না। তবে দৈনিক ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৩৫০ টন সার উৎপাদন প্রত্যাশা করছি।’
যমুনা সার কারখানা থেকে জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের ১৯ জেলার প্রায় আড়াই হাজার ডিলার যমুনার সার উত্তোলন করে থাকেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

