নির্ধারিত সময়ের আগেই রাজশাহী নগরীতে বর্জ্য অপসারণ

রাজশাহী অফিস

নির্ধারিত সময়ের আগেই রাজশাহী নগরীতে বর্জ্য অপসারণ

ঈদুল আজহার আগে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন ঘোষণা দিয়েছিলেন, ৬ থেকে ৮ ঘণ্টার মধ্যেই পরিচ্ছন্ন হবে রাজশাহী।

বিজ্ঞাপন

তার এ ঘোষণা বাস্তবায়নে ঈদের দিন দুপুর থেকেই নগরজুড়ে শুরু হয় ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম। তিনি নিজেও বর্জ্য সম্প্রসারণ কার্যক্রম তদারকি করেন। ফলে নগরীতে নির্ধারিত সময়ের আগেই অপসারণ করা হয়েছে বর্জ্য। এ নিয়ে নগরবাসীর প্রশংসায় ভাসছেন নগর প্রশাসক।

জানা গেছে, প্রথমে ওয়ার্ডভিত্তিকভাবে বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে বিকেলে বুলনপুর এসটিএস, রুয়েট-সংলগ্ন এসটিএস, রাবি এসটিএসসহ বিভিন্ন সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) পরিদর্শন করেন রাসিক প্রশাসক।

রাসিক সূত্রে জানা যায়, প্রশাসকের গতিশীল নেতৃত্বে ১ হাজার ২৭০ জন পরিচ্ছন্নকর্মী নিরলসভাবে কাজ করেন। নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে দ্রুততার সঙ্গে বর্জ্য অপসারণ করা হয়। একই সঙ্গে দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্লিচিং পাউডার ও জীবাণুনাশক ছিটানো হয়। এ কাজে প্রয়োজনীয় যানবাহন, সরঞ্জাম ও জনবল সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। ফলে ঈদের পরদিনই পরিচ্ছন্ন ও দুর্গন্ধমুক্ত নগরী পায় রাজশাহীবাসী।

সাহেববাজার এলাকার বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম বলেন, কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের তৎপরতা সত্যিই প্রশংসনীয়। নির্ধারিত সময়ের আগেই নগরী পরিষ্কার হওয়ায় আমরা স্বস্তি পেয়েছি।

উপশহর এলাকার গৃহিণী শারমিন আক্তার বলেন, কোরবানির মাংস সংরক্ষণের জন্য পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ও ব্লিচিং পাউডার দেওয়ার উদ্যোগটি খুব ভালো লেগেছে। এতে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সহজ হয়েছে।

রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, নাগরিকদের সহযোগিতা ও পরিচ্ছন্নকর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই নির্ধারিত সময়ের আগেই মহানগরী পরিচ্ছন্ন করা সম্ভব হয়েছে। নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

জেডএম

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...