ঈশ্বরদীতে তামাকবর্জ্যের পাহাড়

দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

ঈশ্বরদীতে খোলা আকাশের নিচে তামাকবর্জ্যের বিশাল স্তূপ। চারদিকে ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ। নষ্ট হচ্ছে এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ। দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন বাসিন্দারা, অস্বস্তিতে শিক্ষার্থীরাও। অথচ দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।

ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া ট্রাফিক মোড়সংলগ্ন নওদাপাড়া গ্রামে এ চিত্র দেখা গেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ফিরোজ হোসেনের ভাড়া নেওয়া একটি ধানচাতাল এলাকায় বিপুল পরিমাণ তামাকবর্জ্য স্তূপ করে রাখা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

গত রোববার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, ধানচাতাল এলাকায় তামাকবর্জ্যের বড় বড় স্তূপ পড়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকায় বর্জ্য থেকে ছড়াচ্ছে অসহনীয় দুর্গন্ধ। বাতাসে সেই দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের বসতবাড়ি ও এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো ধরনের নিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ছাড়াই দীর্ঘসময় ধরে এসব তামাকবর্জ্য উন্মুক্ত স্থানে রাখা হয়েছে। ফলে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি মাছি-পোকামাকড়ের উপদ্রবও বেড়েছে। দুর্গন্ধের কারণে অনেক পরিবারকে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে রাখতে হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও শিক্ষার্থীরা বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান। আশপাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত ও অবস্থানের সময় শিক্ষার্থীদের দুর্গন্ধের মধ্যে থাকতে হচ্ছে। কয়েকজন শিক্ষার্থী মাথাঘোরা ও বমি বমি ভাবসহ শারীরিক অস্বস্তির কথা জানিয়েছেন।

দাশুড়িয়া মোকাররম মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যাললের শিক্ষক গোলাম রাব্বানী খান জুবায়ের বলেন, তামাকবর্জ্য সাধারণ আবর্জনার মতো উন্মুক্ত স্থানে ফেলে রাখার বিষয়টি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দীর্ঘদিন ধরে একটি নির্দিষ্ট স্থানে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য জমে থাকলেও সেটি অপসারণে কোনো উদ্যোগ নেই।

এদিকে, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশগত আইন বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা পরিবেশ অধিদপ্তরের তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...