আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

গোদাগাড়ী-তানোর আসন

রাজশাহী-১ : তিন প্রার্থীর বাড়ি গোদাগাড়ী, জয় নির্ধারণ হবে তানোরের ভোটে

উপজেলা প্রতিনিধি, গোদাগাড়ী (রাজশাহী)

রাজশাহী-১ : তিন প্রার্থীর বাড়ি গোদাগাড়ী, জয় নির্ধারণ হবে তানোরের ভোটে
ছবি : আমার দেশ

সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী ও তানোরের) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চারজন প্রার্থীর মধ্যে তিনজন প্রার্থী হচ্ছে গোদাগাড়ী পৌর এলাকার, অন্যজন এ আসনের বাইরের প্রার্থী রাজশাহী সিটির বোয়ালিয়া থানার।

তিনজন নিজ এলাকার কমবেশি সবাই ভোট টানবেন। ফলে সবার নজর এখন তানোর উপজেলার দিকে। এখান থেকে যে প্রার্থী যত বেশি ভোট টানতে পারবেন এবং আওয়ামী লীগসমর্থিত ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোট পাবেন, তাঁর জয়ের সম্ভাবনা তত বেশি। এ আসনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোট আছে অর্ধ লক্ষাধিক। তবে এ আসনটিতে ‘ধানের শীষ’ ও ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা।

বিজ্ঞাপন

৪ লাখ ৬৪ হাজার ৭০৪ জন ভোটারের এই আসনে এবার চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে ভোটের মাঠে আলোচনা ঘুরপাক খাচ্ছে মূলত বিএনপির প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমানকে ঘিরে।

মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক সামরিক উপদেষ্টা। অন্যদিকে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর। তিনি ১৯৮৬ সালে একবার এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৯১ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত টানা তিন মেয়াদে সংসদ সদস্য ছিলেন শরীফ উদ্দীনের বড় ভাই প্রায়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক। অপর দুই প্রার্থী হলেন এবি পার্টির ঈগাল প্রতীকের আব্দুর রহমান ও গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের মীর ম. শাহজাহান।

আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির আব্দুর রহমান ও গণধিকার পরিষদের মীর মো. শাহজাহান মাঠে নেই বললে চলে দুজনেই জামানত ঝুঁকিতে আছে। বিএনপি ও জামায়াতের প্রচারণাই সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ার মতো ছিল। বাড়ি বাড়ি গণসংযোগ, মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা, পথসভা ও কর্মীসমাবেশে এলাকা সরগরম থাকলেও এবি পার্টি ও গণধিকার পরিষদের গণ সংযোগ ছিলনা বললেই চলে । ফলে ভোটের লড়াই কার্যত দ্বিমুখী হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন ভোটাররা।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন