নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে পরিচালিত অভিযানে (এসিল্যান্ড) সহকারী কমিশনারের (ভূমি) ওপর হামলা ও অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৪০ থেকে ৪৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে বাহাগিলী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ থানায় এ মামলা করেন। বিষয়টি দুপুরে নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল গফুর।
এর আগে বুধবার বিকেলে অবৈধ বালু পাচার রোধে অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তনিমা জাহান তন্বী। অভিযানে একটি বালুবোঝাই ট্রলি আটক করলে বালু উত্তোলনকারী চক্রের শতাধিক নারী-পুরুষ ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা করে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে এবং ট্রলিটি থানায় নিয়ে আসে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, বুধবার বিকেল ৬টার দিকে উপজেলার চাড়ালকাটা নদীতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বালুবোঝাই তিনটি ট্রলি আটকের চেষ্টা করা হলে দুটির চালক দ্রুত পালিয়ে যায়। অপর ট্রলিটি আটক করেন তারা। পুলিশ ট্রলিটি জব্দ করে। এ ঘটনার পরপরই বালু উত্তোলন সিন্ডিকেটের শতাধিক নারী-পুরুষ এসিল্যান্ড, ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার ও দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ঘিরে ফেলে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন—উত্তর বাহাগিলীর স্বপন ইসলাম, পারভেজ ইসলাম, জাহেদুল ইসলাম, আরব আলী ও সুমন ইসলাম।
মামলার বাদী শহিদুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
কিশোরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল গফুর জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

