সংসদ নির্বাচনে রংপুর-২ আসন–এর তারাগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের ৪৩টি কেন্দ্রে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের সম্মানি থেকে বিধিবহির্ভূতভাবে জনপ্রতি ২০০ টাকা করে কর্তনের অভিযোগ উঠেছে তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোনাব্বর হোসেনের বিরুদ্ধে।
এ অভিযোগ সম্পর্কে সাংবাদিকের প্রশ্নে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, ‘আপনার যা ক্ষমতা আছে লেখেন। আমার বিরুদ্ধে যা পারেন করেন। লোকজন দিয়ে মানববন্ধন করানোর ব্যবস্থা করেন।’
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভোটগ্রহণে দায়িত্ব পালনকারী ৪৮৮ জন পোলিং অফিসার, ৪৩ জন প্রিজাইডিং অফিসার এবং ২৪৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের কাছ থেকে এই অর্থ কেটে নেওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু হাই দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাছ থেকে মোট প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা সংগ্রহ করেন।
বিষয়টি সাংবাদিকদের নজরে এলে ১৭ ফেব্রুয়ারি তড়িঘড়ি করে টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়। এবং বলা হয় কর ও ট্যাক্স বাবদ এ টাকা কর্তন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ‘আমার দেশ’-এর এ প্রতিনিধি এ বিষয়ে ইউএনওর বক্তব্য নিতে তার কার্যালয়ে যান। এ সময় প্রশ্নের জবাবে ইউএনও ক্ষুব্ধ হয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।
তারাগঞ্জ ও বদরগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত রংপুর-২ আসনে বদরগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচন দায়িত্বপ্রাপ্তদের নির্ধারিত সম্মানি পূর্ণাঙ্গ প্রদান করা হলেও তারাগঞ্জ উপজেলায় দেখ গেছে ভিন্ন চিত্র। নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্তদের সম্মানি আগেই দেওয়া হয় এবং ২০০ টাকা করে কর্তন করা হয়।
তবে অভিযোগ প্রকাশ্যে আসায় নির্বাচন শেষে পাঁচ দিন পর মঙ্গলবার কেটে নেওয়া টাকা সরকারি কোষাগারে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক তারাগঞ্জ শাখায় জমা দেওয়া হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

