মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন। কেন্দ্র থেকে কোনো কমিটি করে দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, “আপনাদের দাউদপুরের আমলনামা আমার কাছে আছে। কে কী করেন, ভোটের সময় কে কী ভূমিকা রেখেছেন—সব আমি জানি। সংগঠনকে শক্তিশালী করে এগিয়ে যেতে হবে।”
শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর ডিগ্রি কলেজ মাঠে দাউদপুর ইউনিয়নের স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দাউদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এরশাদুল হকের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তরিকুল ইসলাম।
মতবিনিময় সভায় ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হলে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সক্রিয় করতে হবে। মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে হবে।
তিনি বলেন, নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে তৃণমূলের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। কারা দলের জন্য কাজ করেছেন এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে কার কী ভূমিকা ছিল, তা বিবেচনায় নিয়েই নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে।
ডা. জাহিদ হোসেন আরও বলেন, “আমরা কোনো কমিটি করে দেব না। তৃণমূলেরাই নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন।”
সভায় তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন।
তৃণমূল কর্মী সানজিদা আক্তার বলেন, “যাদের দ্বারা বিএনপি পরিবারের সদস্যরা নির্যাতিত হয়েছেন, তারাই আজ সামনের সারিতে বসে।”
আরেক তৃণমূল কর্মী রব্বানী প্রশ্ন তুলে বলেন, “আজ এত বিএনপি কোথা থেকে এলো?”
তৃণমূলের আরেক নেত্রী মারিয়া বাস্কে বলেন, তারা শান্তি চান এবং সংগঠনের মধ্যে ঐক্য বজায় রেখে কাজ করতে চান।
দাউদপুর ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় মন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. শরিফা করিম স্বর্ণা, জেলা বিএনপির সহসভাপতি আতিকুর রহমান রাজা, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মকবুলার রহমান গোর্কি, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় দাউদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এ সময় স্থানীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম, নেতৃত্ব নির্বাচন এবং তৃণমূলকে আরও সক্রিয় করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

