আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

গাইবান্ধায় হেভিওয়েটদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়ছেন দুই নারী প্রার্থী

জেলা প্রতিনিধি, গাইবান্ধা

গাইবান্ধায় হেভিওয়েটদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়ছেন দুই নারী প্রার্থী

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে গাইবান্ধা-৫ আসনে জমে উঠেছে প্রচার। বিএনপি-জামায়াত ও জাতীয় পার্টিসহ হেভিওয়েট প্রার্থীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়ছেন দুই নারী প্রার্থী ছালমা আক্তার ও রাহেলা খাতুন। অনেক পুরুষের মধ্যে নির্বাচনি মাঠে তাদের উপস্থিতি ভোটের সমীকরণে যোগ করেছে ভিন্ন মাত্রা। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ থেকে কাঁচি প্রতীক নিয়ে রাহেলা খাতুন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন ছালমা আক্তার কলস প্রতীক নিয়ে।

জেলার ৫ আসনে ৪০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ৩২ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত এবং আটজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। ৫ আসনে ভোটার সংখ্যা মিলিয়ে প্রায় ২১ লাখেরও বেশি। ভোটারদের ঘরে ঘরে গিয়ে প্রার্থীরা দিচ্ছেন নানা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার প্রতিশ্রুতি।

বিজ্ঞাপন

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হেভিওয়েট প্রার্থীদের মাঝে নারী প্রার্থীদের অংশগ্রহণ ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা ও আগ্রহ বাড়াচ্ছে। নারী ভোটারদের পাশাপাশি তরুণ ভোটারদের একটি অংশ উন্নয়ন ও স্বচ্ছ রাজনীতির প্রতিশ্রুতিতে আকৃষ্ট হচ্ছে।

স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, গাইবান্ধার নির্বাচনি মাঠে নারী প্রার্থীদের এ উপস্থিতি ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে অনুপ্রেরণা জোগাবে। এ দুই নারী প্রার্থীর অংশগ্রহণ শুধু ভোটের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, এটি নারীর ক্ষমতায়নেরও একটি প্রতীক। তাদের মতে, গাইবান্ধার গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত নারীদের রাজনৈতিক সচেতনতা বাড়াতে এ সাহসী পদচারণা দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

গাইবান্ধা-১ আসনে কলস প্রতীক নিয়ে লড়ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ছালমা আক্তার শিল্পী। তিনি সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মধ্য শান্তিরাম গ্রামের বাসিন্দা এবিএম মিজানুর রহমানের স্ত্রী। এ আসনে বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পার্টির মহাসচিবসহ মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ছালমা আক্তার বলেন, আমি নির্বাচিত হলে নারীদের কর্মসংস্থান ও তরুণদের জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়তে কাজ করব। এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন আমার অগ্রাধিকার।

অপর দিকে গাইবান্ধা-৫ আসনে বাসদ থেকে কাঁচি প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাহেলা খাতুন। তিনি গাইবান্ধা শহরের থানাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এ আসনেও বিএনপি-জামায়াত ও জাতীয় পার্টির মহাসচিবসহ ৯ জন প্রার্থী ভোটের মাঠে রয়েছেন।

রাহেলা খাতুন বলেন, এ এলাকায় দীর্ঘদিন জনপ্রতিনিধি থাকলেও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। আমি নির্বাচিত হলে নদীভাঙন রোধ, কৃষকের কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেব।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন