লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে নিহত বাংলাদেশি নাগরিক আলী হোসেনের (৩৮) লাশ প্রায় ১৭ ঘণ্টা পর ফেরত দিয়েছে বিএসএফ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত ৮টা ৫০ মিনিটে সীমান্ত পিলার ৮৬৮/৩ এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের উপস্থিতিতে লাশ হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এ সময় ধবলগুড়ি বিওপির পক্ষ থেকে নায়েব সুবেদার মো. আমিরুল ইসলাম এবং বিএসএফের ১৫৬ ব্যাটালিয়নের শ্রীমুখ কোম্পানি কমান্ডার এসি রাজেশ কুমার ইয়াদব উপস্থিত ছিলেন।
তিস্তা-৬১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে ভারতের মাথাভাঙ্গা থানা পুলিশ লাশটি পাটগ্রাম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে রাত ৯টার দিকে নিহতের বড় ভাই মো. আনোয়ার হোসেনের কাছে মরদেহটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে পাটগ্রামের ধবলগুড়ি সীমান্তের শূন্য রেখা অতিক্রম করে ভারতের প্রায় ৫০০ গজ ভেতরে ৮৭৪ নম্বর পিলারের ৫ নম্বর সাব-পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলী হোসেন ধবলগুড়ি পূর্ব পানিয়ারটারী গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে।
বিএসএফের দাবি, ৭-৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক সীমান্তের তারকাঁটা বেড়া, কাটার উদ্দেশ্যে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করলে তাদের সতর্ক করতে গুলি ছোড়া হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে আলী হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে উদ্ধার করে ভারতের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

