গাইবান্ধার সাঘাটায় শেষ মুহূর্তে ৬ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বিএনপিতে যোগদান করলেন উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আতাউর রহমান সরকার আতা এবং সদস্য সচিব প্রভাষক মইদুল হক নয়ন।
অত্র এলাকার এই হেভিওয়েট নেতা আতা এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ছিলেন। নির্বাচনের একদিন আগে এ যোগদানের কারণে বিএনপিতে অনেকটা নির্ভার ও চাঙ্গা ভাব বিরাজ করছে। উপজেলার সর্বত্রই এখন আলোচনা একটাই।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী টিটুল, জেলা বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আসাদুল কবির রাঙ্গা, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য কামরুজ্জামান সোহাগ, সাঘাটা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও ঘুড়িদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ তুলিপ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
মঙ্গলবার রাতে উপজেলার ঘুড়িদহের ডাকবাংলা বাজারে ঘরোয়া পরিবেশে এ যোগদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় রাজনীতির সমীকরণে এই ঘটনাকে ‘বড় চমক’ হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বিশ্লেষকরা। আতাউর রহমান সরকার আতা একাধারে গাইবান্ধা জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এবং সাঘাটা উপজেলা জাপার সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।
তার মতো একজন কেন্দ্রীয় নেতা দল বদলকে সাঘাটা উপজেলায় জাতীয় পার্টির জন্য বড় বিপর্যয় বলে মনে করা হচ্ছে। যোগদান করার পর আতাউর রহমান আতা বলেন, বিএনপি একটি বড় দল। তাই এ দলের সাথে থাকলে সাধারণ মানুষের জন্য ভালো কিছু করা সম্ভব।
এ ব্যাপারে কথা হলে সাঘাটা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী বলেন, বিএনপির আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে তার দলে যোগদান অবশ্যই দলের জন্য ভালো কিছুই বয়ে আনবে।
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা দীর্ঘ দিন ধরেই জাতীয় পার্টির দুর্গ হিসেবে পরিচিত। তবে আতাউর রহমান সরকারের দলত্যাগের ফলে সেই দুর্গের ভিত্তি নড়বড়ে হয়ে গেল। প্রায় সর্বত্রই এখন বিএনপি'র চাঙ্গা অবস্থায় বিরাজ করছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

